Rabindranath Tagore

Poet

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতার এক ধনাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিঁনি ছিলেন অগ্রণী বাঙ্গালী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, কন্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ্য সাহিত্যিক মনে করা হয়। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। ইউরোপের বাহিরের প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসাবে তিনি বিশ্বে ব্যপক খ্যাতি লাভ করেন। দীর্ঘ রোগভোগের পর ১৯৪১ সালের ৭ই অগাস্ট জোড়াসাঁকোর বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তবে মৃত্যুর সাত দিন আগে পর্যন্ত তিঁনি সৃষ্টিশীল ছিলেন। (উৎস: উইকিপিডিয়া)

আরও পড়ুন
অকর্মার বিভ্রাট অকৃতজ্ঞ অক্ষমতা অক্ষমা অঙ্গের বাঁধনে বাঁধাপড়া আমার প্রাণ অচল স্মৃতি অচলা বুড়ি অচির বসন্ত হায় এল, গেল চলে অচেতন মাহাত্মা অচেনা অজয় নদী অজ্ঞাত বিশ্ব অঞ্চলের বাতাস অণুকাবা অত চুপি চুপি কেন কথা কও অতি দূরে আকাশের সুকুমার পান্‌ডুর নীলিমা অদৃশ্য কারণ অদৃষ্ট্রের হাতে লেখা অধরা অধিকার অনন্ত জীবন অনন্ত পথে অনন্ত প্রেম অনন্ত মরণ অনবচ্ছিন্ন আমি অনাগতা অনাবশ্যকের আবশ্যকতা অনাবৃষ্টি অনিত্যের যত আবর্জনা অনুরাগ ও বৈরাগ্য অনেক কালের যাত্রা আমার অনেক ভিয়াষে করেছি ভ্রমণ অনেক মালা গেঁথেছি মোর অনেক হাজার বছরের অনেককালের একটিমাত্র দিন অন্তর মম বিকশিত করো। অন্তর্যামী অন্ধকারের পার হতে আনি অছের লাগি মাঠে অন্য মা অপমান-বর অপমানিত অপযশ অপরাজিতা ফুটিল অপরাজে এসেছিল জন্মবাসরের আমন্ত্রণে অপরিবর্তনীয় অপরিহরণীয় অবরুদ্ধ ছিল বায়ু অবর্জিত অবসান অবসান হল রাতি অবিচার অবোধ হিয়া বুঝে না বোঝে অভিমান অভিলাষ অভিসার অভয় অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে অমলধারা ঝরনা যেমন অযোগ্যের উপহাস অলস শয্যার পাশে জীবন মন্থরগতি চলে অলস সময়-ধারা বেয়ে অল্প জানা ও বেশি জানা অল্পেতে খুশি হবে অসময় অসমাপ্ত অসম্পূর্ণ সংবাদ অসম্ভব অসম্ভব ভালো অসময় অসাধ্য চেষ্টা অন্তসযী অস্তাচলের পরপারে অস্পষ্ট অস্ফুট ও পরিস্ফুট আঁখি পানে যবে আঁখি তুলি আইডিয়াল নিয়ে থাকে আকাউক্ষা আকাঙ্ক্ষা (কণিকা কাব্যগ্রন্থ। আকাশ আকাশ-সিন্ধু-মাঝে এক ঠাঁই আকাশতলে উঠল ফুটে আকাশপ্রদীপ আকাশে চেয়ে দেখি আকাশে হুড়ায়ে বাণী আকাশে ঘুগল তারা আকাশে সোনার মেঘ আকাশের আলো মাটির তলায় আকাশের চাঁদ আকুল আহ্বান আগমনী আগুন জ্বলিত যবে আছি আমি বিন্দুরূপে, হে অন্তরযামী আছে আমার হৃদয় আছে ভরে আজ গড়ি খেলাঘর আজ বানের খেতে রৌদ্রছায়ায় আজ বরষার রূপ হেরি মানবের মাঝে আজ বারি ঝরে ঝর ঝর আজ মনে হয় সকলেরই মাঝে আজ শরতের আলোয় এই যে চেয়ে দেখি আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে আজি গন্ধবিধুর সমীরণে আজি জন্মবাসরের বক্ষ ভেদ করি আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসar আজি শ্রাবণ-ঘন-গহন-মোহে আজি হেরিতেছি আমি আজিকে সহন কালিমা লেগেছে গগনে আজু সথি মুহু মুহু আভার বিচি আত্ম-অপমান আত্মশত্রুতা আত্মাভিমান আদর করে মেয়ের নাম আদিরহস্য আধখানা বেল আধা রাতে গলা ছেড়ে আনন্দেরই সাগর থেকে আপন শোভার মূল্য আপনার রুদ্ধদ্বার-মাঝে আপনারে তুমি করিবে গোপন আপনারে নিবেদন আপনি ফুল লুকায়ে বনছায়ে আপিস থেকে ঘরে এসে আফ্রিকা আবার আবার কেন রে আমার আবার এরা ফিরেছে মোর মন আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে আমগাছ আমরা কি সত্যিই চাই শোকের অবসান আমরা চাষ করি আনন্দে আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ আমাদের এই পল্লিখানি পাহাড় দিয়ে ঘেরা আমাদের ছোট নদী আমার এ গান ছেড়েছে তার আমার এ জন্মদিন-মাঝে আমি হারা আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু আমার এই ছোটো কলসিটা পেতে রাখি আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ আমার একলা ঘরের আড়াল ভেঙে আমার কাছে শুনতে চেয়েছ আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে আমার খোলা জানালাতে আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে আমার নামটা দিয়ে ঢেকে রাখি যারে আমার নয়ন ভুলানো এলে আমার পাচকবর গদাধর মিশ্র আমার ফুলবাগানের ফুলগুলিকে আমার মাঝারে যে আছে কে গো সে আমার মাঝে তোমার লীলা হবে আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার আমার মিলন লাগি তুমি আমার শেষ বেলাকার ঘরখানি আমার সোনার বাংলা আমারে যদি জাগালে আজি নাথ আমি আমি অতি পুরাতন আমি চঞ্চল হে আমি চেয়ে আছি আমি চেয়ে আছি তোমাদের সবapane আমি বদল করেছি আমার বাসা আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই আমি বেসেছিলেম ভালো আমি যারে ভালোবাসি সে ছিল এই গাঁয়ে আমি যেথায় থাকি আয় রে বসন্ত আর আমায় আমি নিজের শিরে বইব না আর নাই রে বেলা নামল ছায়া আরবার ফিরে এল উৎসবের দিন আরম্ভ ও শেষ আরশি আরো আঘাত সইবে আমার আরো একবার যদি পারি আরোগ্য- ১০ আরোগ্য--৯ আলো আসে দিনে দিনে আলো তার পদচিহ্ন আলো নাই, দিন শেষ হল, ওরে আলোকে আসিয়া এরা লীলা করে যায় আলোকের অন্তরে যে আনন্দের পরশন পাই আলোয় আলোকময় করে হে আশার আলোকে আশার সীমা আশিষ গ্রহণ আশীর্বাদ আশীর্বাদ আষাঢ় আষাঢ়সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল আসনতলের মাটির 'পরে লুটিয়ে রব আসা-যাওয়ার পথ চলেছে আহ্বান আহ্বানগীত আহ্বানসংগীত আয়না দেখেই চমকে বলে ইটের গাদার নিচে ইচ্ছামতী ইছামতী নদী ইতিহাসবিশারদ গণেশ ধুরন্ধর ইদিলপুরেতে বাস নরহরি শর্মা ইস্কুল-এড়ায়নে সেই ছিল বরিষ্ঠ ইস্টেশন ইয়ারিং ছিল তার দু কানেই ঈর্ষার সন্দেহ ঈশ্বরের হাস্যমুখ দেখিবারে পাই উচ্চের প্রয়োজন। উজ্জ্বলে ভয় তার উদবৃত্ত উদারচরিভানাম্ উদাসীম উদ্বোধন উপকথা উপলক্ষ উপহার উৎসর্গ উৎসর্গ (আরোগ্য) উৎসর্গ (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) উৎসর্গ (সহজ কথায় লিখতে আমায় কহ যে) উড়িয়ে ধ্বজা অভ্রভেদী রথে ঊর্মি, তুমি চঞ্চলা ঋতুসংহার ঋষি কবি বলেছেন এ আমির আবরণ সহজে স্থালিত হয়ে যাক এ কথা সে কথা মনে আসে এ কী অকৃতজ্ঞতার বৈরাগ্য প্রলাপ ক্ষণে ক্ষণে এ জন্মের সাথে লগ্ন স্বপ্নের জটিল সূত্র যবে এ জীবনে সুন্দরের পেয়েছি মধুর আশীর্বাদ। এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর বুলি এই করেছ ভালো এই জ্যোৎস্নারাতে জাগে আমার প্রাণ এই তো ভোমার প্রেম এই মলিন বস্তু ছাড়তে হবে এই মোর সাধ যেন এ জীবনমাঝে এই যেন ভক্তের মন এই সে পরম মূলা এক গাঁয়ে এক পরিণাম এক তরফা হিসাব একই পথ একটা খোঁড়া ঘোড়ার 'পরে একটি একটি করে তোমার একটি নমস্কারে, প্রভু একটি শিশির বিন্দু একদা পরমমূল্য জন্মক্ষণ দিয়েছে তোমায় একদিন তুচ্ছ আলাপের ফাঁক দিয়ে একলা আমি বাহির হলেম একা আমি ফিরব না আর একা বসে সংসারের প্রান্ত জানালায়। একাকিনী এখনো অঙ্কুর যাহা এপারে ওপারে এবার নীরব করে দাও এসে মোর কাছে এসেছিনু নিয়ে শুধু আশা এসো হে এসো সজল ঘন বাদলবরিষনে ঐশ্বর্য ওই মহামানব আসে ওই যে তরী দিল খুলে ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা ওগো মৌন, না যদি কও ওড়ার আনন্দে পাখি ওরা এসে আমাকে বলে ওরা কাজ করে ওরে আমার কর্মহারা, ওরে আমার সৃষ্টিছাড়া ওরে চিরভিক্ষু, তোর আজন্মকালের ভিক্ষাঝুলি ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা ওরে পদ্মা ওরে মোর রাক্ষসী প্রেয়সী ওরে পাখি ওরে মাঝি কঠিন পাথর কাটি কঠিন লোহা কঠিন ঘুমে কণিকা কত অজানারে জানাইলে তুমি কত কী যে আসে কত কী যে যায় কত দিব্য কত বিভাবরী কথা চাই, কথা চাই, হাঁকে কথা ছিল এক তরীতে কেবল তুমি আমি কনে দেখা হয়ে গেছে কনের পণের আশে কন্যাবিদায় কনকনে শীত তাই কবি (অনূদিত কবিতা) কবি-কাহিনী (চতুর্থ সর্গ) কবি-কাহিনী (তৃতীয় সর্গ) কবি-কাহিনী (দ্বিতীয় সর্গ) কবি-কাহিনী (প্রথম সর্গ) কবির অহংকার কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে কমল ফুটে অগম জলে করিয়াছি বাণীর সাধনা। করুণা কর্ণ কুস্তি সংবাদ কর্তব্যগ্রহণ কর্ম কলঙ্কব্যবসায়ী কলরবমুখরিত খ্যাতির প্রাঙ্গণে যে আসন কল্পনামধুপ কল্পনার সাঘি কল্লোলমুখর দিন কষ্টের জীবন (মানুষ কাঁদিয়া হাসে) কহিল তারা, জ্বালিব আলোখানি কাঁচা আম কাঁচড়াপাড়াতে এক ছিল রাজপুত্তুর কাঁখে মই বলে কই ভূঁইচাপা গাহ কাকঃ কাকঃ পিকঃ পিকঃ কাগজের নৌকা কাঙালিনী কাছের রাতি দেখিতে পাই কাঠের সিঙ্গি কান্নাহাসির-দোল-দোলানো পৌষ ফাগুনের পালা কাব্য কাল প্রাতে মোর জন্মদিন কাল যবে সন্ধ্যাকালে বন্ধুসভাতলে কালিদাসের প্রতি কালুর খাবার শখ সব চেয়ে পিষ্টকে কালের প্রবল আবর্তে প্রতিহত কালো অন্ধকারের তলায় কালো ঘোড়া কালো মেঘ আকাশের তারাদের ঢেকে কাশী কী কথা বলিব বলে কী পাই, কী জমা করি কী যে কোথা যেথা হোথা যায় হুড়াহুড়ি কীটের বিচার কীর্তি যত গড়ে তুলি কুঁজো তিনকড়ি ঘোরে কুঁড়ির ভিতর কাঁদিছে গন্ধ অন্ধ হয়ে কুটুম্বিতা-বিচার কুমার কুমারসম্ভবগান কুসুমের শোভা কুয়াশার আক্ষেপ কৃতীর প্রমাদ কৃপণা কৃষ্ণকলি কে কে বলে সব ফেলে যাবি কেউ চেনা নয় কেন কেন (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) কেন (সঞ্চয়িতা) কেন মধুর কেন মার সিঁধ-কাটা ধূর্তে কেবল তব মুখের পানে চাহিয়া কেমন সুন্দর আহা ঘুমায়ে রয়েছে কো তুহু বোলবি মোয় কোথায় কোথায় আলো কোথায় ওরে আলো কোনো জাপানি কবিতার ইংরাজি অনুবাদ হইতে কোন্ আলোতে প্রাণের প্রদীপ কোন্ খ'সে-পড়া তারা কোপাই কোরো না ছলনা, কোরো না ছলনা ক্যান্ডীয় নাচ ক্যামেলিয়া ক্লান্ত মোর লেখনীর ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু ক্ষণমিলন क्षणिक ধ্বনির স্বত-উচ্ছ্বাসে ক্ষণিক মিলন ক্ষণিকা ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় যাত্রার সময় বুঝি এল ক্ষান্ত করিয়াছ তুমি আপনারে ক্ষান্তবুড়ির দিদিশাশুড়ির ক্ষুদ্র অনন্ত ক্ষুদ্র আমি ক্ষুদ্রের দপ্ত খবর পেলেম ফকল্য খাটুলি খুদিরাম কাসে টান খুব তার বোলচাল খেলা খেলা খেলা (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) খেলা-ভোলা খেলেনা খেয়া খোকা খোকার রাজা খ্যাতি আছে সুন্দরী বলে তার খ্যাতি নিন্দ্য পার হয়ে জীবনের এসেছি প্রদোষে ঘড়দয়ে যেতে যদি সোজা এস ঘুন্না গণিতে রেলেটিভিটি প্রমাণের ভাবনায় গত দিবসের ব্যর্থ প্রাণের গদ্য ও পদ্য গব্বুরাজার পাতে ছাগলের কোমাতে গম্ভীর গভীরতম হৃদয়প্রদেশে গরজের অ্যত্মীয়তা গর্ব করে নিই নে ও নাম গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে গহির নীদমে গাছ দেয় ফল গাছগুলি মুছে-ফেলা গাছের পাতায় লেখন লেখে গান গান (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ। গান (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) গান আরম্ভ গান গাওয়ালে আমায় গান দিয়ে যে তোমায় গান-রচনা গানগুলি মোর বিষে ঢালা গানভঙ্গ গানের খেয়া গানের জাল সানের পারে গান্ধারীর আবেদন সাবার মতো হয় নি কোনো গান গালির ভঙ্গি গাড়িতে মদের পিপে গায়ে আমার পুলক লাগে গিন্নির কানে শোনা ঘটে অতি সহজেই গিরিবক্ষ হতে আজি গিয়াছে যে দিন, সে দিন হৃদয় গীতহীন গীতোচ্ছ্বাস গুপ্তিপাড়ায় জন্ম তাহার গৃহশত্রু গোয়ালিনী গ্রহণে ও দানে ঘট ভরা ঘন কাঠিন্য রচিয়া শিলাস্তূপে ঘন্টা বাজে দূরে ঘরের খেয়া ঘাসি কামারের বাড়ি ঘাসে আছে ভিটামিন ঘুমচোরা ঘুমের তত্ত্ব ঘোষালের বক্তৃতা চড়িভাতি চতুর্থ সর্গ চপলারে আমি অনেক ভাবিয়া চরণ চলার পথের যত বাধা চলিতে চলিতে চরণে উছলে চলে যাবে সত্তারূপ চাই গো আমি তোমারে চাই চাও যদি সত্যরূপে চাতুরী চালক চাষের সময়ে চাহিছ বারে বারে চিঠি চিন্ত আমার হারাল আজ চিত্ত তোমায় নিত্য হবে চিত্রা চিন্তাহরণ দালালের বাড়ি চির-আমি চিরকাল একি লীলা গো চিরজনমের বেদনা। চিরদিন চিরদিন আছি আমি অকেজোর দলে চিরনবীনতা চিরায়মানা চুম্বন চুরি-নিবারণ চেয়ে থাকা চৈত্রের সেতারে বাজে ছবি-আঁকিয়ে হয় ছল ছলনা ছায়াছবি ছায়াসঙ্গিনী হাড়িস নে ধরে থাক এঁটে ছিন্ন করে লও হে মোরে ছুটির দিনে ছোটো ফুল ছোটোবড়ো জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ জগদীশচন্দ্র জগৎ জুড়ে উদার সুরে জটিল সংসার জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে জননী তোমার করুণ চরণখানি জন্ম ও মরণ জন্মকথা জন্মকালেই ওর লিখে দিল কুষ্ঠি জন্মতিথির উপহার 誕生日 জন্মদিন আসে বারে বারে জন্মবাসরের ঘটে জবাবদিহি জমল সতেরো টাকা জয়ধ্বনি জর্মন প্রোফেসার জল জলযাত্রা জাগি রহে চাঁদ জাগিব্যর চোঁট্টা জাগ্রত স্বপ্ন জান তুমি রাত্তিরে জানা-অজানা জানার বাঁশি হাতে নিয়ে জানি জানি কোন্ আদি কাল হতে জামাই মহিম এল জিরাফের বাবা বলে জীবন জীবন উৎসর্গ জীবন পবিত্র জানি জীবন মরণ জীবন যখন শুকায়ে যায় জীবনদেবতা তব জীবনবহনভাগ্য নিত্য আশীর্বাদে জীবনযাত্রার পথে জীবনরহস্য যায় জীবনে তব প্রভাত এল জীবনে যত পুজা হল না সারা জীবনে যা চিরদিন জীবনের আশি বর্ষে প্রবেশিনু ঘবে জীবনের দীপে তব জুতা-আবিষ্কার জ্ঞানের দৃষ্টি ও প্রেমের সম্ভোগ জ্বল জ্বল চিতা দ্বিগুণ দ্বিগুণ জ্বালো নবজীবনেব জ্যোতিষ-শাস্ত্র জ্যোতিষী জড়ায়ে আছে বাধ্য হাড়ায়ে যেতে চাই জড়িয়ে গেছে সরু মোটা দুটো তারে ঝড়ের দিনে ঝাঁকড়াচুল ঝিনেদার জ্ঞাদনার ঝুলন টাকা সিকি আধুলিতে টেরিটি বাজারে তার ট্রাম্-কন্‌ডাক্টার ডাকাতের সাড়া পেয়ে ডাকো ডাকো ডাকো আমারে ডুবারি যে সে কেবল ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে তখন আমার আয়ুর তরণী তখন আমার বয়স ছিল সাত তখন বয়স ছিল কাঁচা তত্ত্ব ও সৌন্দর্য তত্ত্বজ্ঞানহীন তনু তন্নষ্টং যন্ন দীয়তে তপনের পানে চেয়ে তপোবন তব সিংহাসনের আসন হতে তব চিত্তগগনের তব জন্মদিবসের দানের উৎসবে তবু তম্বুরা কাঁধে নিয়ে তরঙ্গের বাণী সিন্ধু তর্ক তাই তোমার আনন্দ আমার পর তারকার আত্মহত্যা তারা ও আখি তারা তোমার নামে বাটের মাঝে তারা দিনের বেলা এসেছিল তারাগুলি সারারাতি তালগাছ তিনকড়ি তোত্পাড়িয়ে উঠল পাড়া তীর্থযাত্রী তুমি তুমি আছ হিমাচল ভারতের অনন্তসঞ্চিত তুমি আমার আপন তুমি একটি ফুলের মতো মণি তুমি এবার আমায় লহো তুমি কেমন করে গান কর যে গুণী তুমি গল্প জমাতে পার তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে তুমি প্রভাতের শুকতারা তুমি বসন্তের পাখি বনের হায়ারে তুমি বাঁধছ নূতন বাসা তুমি যখন গান গাহিতে বল তুমি যে কাজ করছ আমায় তুমি যে তুমিই ওগো তৃতীয় সর্গ তোমাদের জানি তবু আমরা যে দূরের মানুষ তোমার দয়া ঘদি চাহিতে নাও জানি। তোমার প্রেম যে বইতে পারি এমন সাধ্য নাই তোমার বীণায় কত তার আছে তোমার মঙ্গলকার্য তোমার সঙ্গে আমার মিলন তোমার সাথে নিত্য বিরোধ আর সহে না তোমার সৃষ্টির পথ তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি তোমার সোনার খালায় সাজার আজ তোমারে পাছে সহজে বুঝি তোমারে হেরিয়া চোখে তোমায় আমার প্রভু করে রাখি তোমায় খোঁজা শেষ হবে না মোর তোমায় চিনি বলে আমি করেছি গরব তোরা শুনিস নি কি শুনিস নি তার পায়ের ধ্বনি থাকে সে কাহালগাঁয় দাঁয়েদের সিন্নিটি দাও হে আমার ভয় ভেঙে দাও দান দান (২) দানরিক্ত দামামা ওই বাজে দামিনীর আঁখি কিবা দায়মোচন দাড়ীশ্বরকে মানত ক'রে দিক্বালা দিগন্তে ওই বৃষ্টিহারা দিগন্তে পথিক মেঘ দিবলয়ে দিদি দিদিমণি- অফুরান সান্ত্বনার খনি দিন চলে না যে দিন পরে যায় দিন দিন রাত্রি নাহি মানি দিনের অালো নামে যখন দিনের প্রহরগুলি হয়ে গেল পার দিনের প্রান্তে এসেছি দিবস যদি সাঙ্গ হল না যদি গাহে পাখি দিবসরজনী তন্দ্রাবিহীন দিল্লি দরবার দিয়েছ প্রশ্রয় মোরে, করুণানিলয় দীন দান দীনের দান দু-কানে ফুটিয়ে দিয়ে দুঃখ এড়াবার আশা দুঃখ যেন জাল পেতেছে দুঃখশিখার প্রদীপ জ্বেলে দুঃখহারী দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে দুঃসময় দুঃস্বপন কোথা হতে এসে দুই আমি দুই আমি দুই পাখি দুই পারে দুই কূলের আকুল প্রাণ দুই বন্ধু দুই বিঘা জমি দুখের দশা শ্রাবণরাতি দুরন্ত আশা দুর্বোধ দুর্লভ জন্ম দুষ্টু দুয়ারে তোমার ভিড় করে যারা আছে দুয়োরানী দূর দুর সাগরের পারের পরন দৃষ্টি দেওয়া নেওয়া দেখলো সজনী চাঁদনি রজনী দেখিলাম অবসন্ন চেতনার গোধুলিবেলায় দেখো চেয়ে গিরির শিরে দেবতা জেনে দূরে রই দাঁড়ায়ে দেবতার হ্রাস দেবতার বিদায় দেশান্তরী দেহের মিলন দোতলায় যুদ্ধাপ্ দ্বার খোলা ছিল মনে দ্বারে দ্বিতীয় সর্গ দয়া করে ইচ্ছা করে আপনি ছোটো হয়ে দয়া দিয়ে হবে গো মোর জীবন জুতে ধরণীর খেলা খুঁজে। ধরাতল ধীরু কহে শূন্যেতে মজ্যে রে ধীরে সন্ধ্যা আসে ধূপ আপনারে মিলাইতে চাহে গন্ধে ধূলামন্দির ধ্বনি ধ্যান ধ্রুবসত্য ধ্রুবাণি তস্য নশ্যন্তি নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের নতিস্বীকার নতুন রঙ নদী নদীযাত্রা নদীর পালিত এই জীবন আমার নদীর প্রতি খাল ননীলাল বাবু যাবে লঙ্কা নব বৎসরে করিলাম পণ নবজাতক নববর্ষ এল আজি নববর্ষে নবীন অতিথি নম্রত্য নরকবাস (কাহিনী কাব্য) নলিনী না চেয়ে যা পেলে তার যত দায় না জানি কারে দেখিয়াছি নাগকুমারী নাগিনীরা চারি দিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস নাটক নানা গান গেয়ে ফিরি নানা লোকালয় নানা দুঃখে চিত্তের বিক্ষেপে নাম তার চিনুলাল নাম তার ডাক্তার ময়জন নাম তার ভেলুরাম খুনিচাঁদ শিরখ নাম তার সন্তোষ নামকরণ নামজাদা দানুবাবু রীতিমতো খচে নামটা যেদিন ঘুচাবে, নায় নারী নারী তুমি ধন্যা নাসিক হইতে খুড়ার পত্র নিজের ও সাধারণের নিজের হাতে উপার্জনে নিদ্রা-ব্যাপার কেন নিদ্রিতা নিদ্রিতার চিত্র নিধু বলে আড়চোখে কুহু নেই পরোয়া নিন্দুকের দুরাশা নিরাপদ নীচতা নিরুদ্দেশ যাত্রা নিরুদ্যম অবকাশ শূনা শুধু নির্জন রোগীর ঘর নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ প্রাথমিক রচনা নির্লিপ্ত নিষ্কাম পরহিতে কে ইহারে সামলায়। নিষ্ফল উপহার নীল বায়লেট নয়ন দুটি করিতেছে ঢলঢল নীলুবাবু বলে শোনো নেয়ামৎ দর্জি নীহারিকা নূতন নূতন ও সনাতন নূতন কল্পে নূতন চাল নূতন জন্মদিনে নূতন যুগের প্রত্যুষে কোন্ নূতন সে পলে পলে নৈবেদ্য নৌকাযাত্রা ন্যায়দণ্ড নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে পঁচিশে বৈশাখ চলেছে পক্ষীমানব পঞ্চমী পড়েছি আজ রেখার মায়ায় পণ্ডিত কুমিরকে ডেকে বলে পত্র পত্র পত্র (সম্পাদক সমীপেষ্য) পথহারা পথিক আমি পথিক দেখেছি আমি পুরাণে কীর্তিত কত দেশ পাথর পথিক করেছ আমায় পথের বাঁধন পাদ্মা পদ্মায় পদ্মের পাতা পেতে অাছে অঞ্জলি পবিত্র জীবন পর ও আত্মীয় পর-বিচারে গৃহভেদ পরবেশ পরম সুন্দর আলোকের জানপুণ্য প্রাতে পরস্পর পরিচিত সীমানার পরিচয় পরিচয় পরিচয় (কণিকা কাবাগ্রন্থ) পরিচয় (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) পরিতাক্ত পরের কর্ম-বিচার পলাশ আনন্দমূর্তি জীবনের ফাগুনদিনের পল্লীগ্রামে পশ্চাতের নিত্যসহচর, অকৃতার্থ যে অতীত পশ্চিমে রবির দিন পসারিনী পাঁচদিন ভাত নেই, দূষ একরত্তি পাঁচিলের এখারে পাখি যবে গাহে গান পাখিওয়ালা বলে এটা কালোরউ চন্দনা পাখির পালক পাখির ভোজ পাগল হইয়া বনে বনে ফিরি পাঠশালে হাই তোলে পাড়ায় আছে ক্লাব পাতালে বলিরাজার যত বলীরামরা পাতায় পাতায় দুলিছে শিশির পাথরপিণ্ড পাবনায় বাড়ি হবে পাষাণী মা পাষাণে পাদ্বাগে ভর পাহাড়ের নীলে আর দিগন্তের নীলে পাড়াতে এসেছে এক পিছু-ডাকা পিলসুজের উপর পিতলের প্রদীপ পিসনি পুণ্যের হিসাব পুতুল ভাঙা পুনর্মিলন পুরস্কার পুরাতন পুরাতন ভৃত্য পুরানো সেই দিনের কথা পুরোনো বট পুষ্প পুষ্পচয়িনী পুজার সাজ পূজারিনী পূর্ণ মিলন পূর্ণা পৃথিবী পেঁচোটাকে মাসি তার পেন্সিল টেনেছিনু হপ্তায় সাতদিন পোড়ো বাড়ি শূন্য দালান প্রকারভেদ প্রকাশিত্য প্রকৃতির খেদ (প্রথম পাঠ) প্রকৃতির খেদ (দ্বিতীয় পাঠ) প্রচ্ছন্ন পশু প্রজাপতি প্রতাপের তাপ প্রতিধ্বনি প্রতিনিধি প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রত্যহ প্রভাতকালে ভক্ত এ কুকুর প্রত্যাশা প্রথম আলোর আভাস লাগিল গগনে। প্রথম চুম্বন প্রথম দিনের সূর্য প্রথম পূজা প্রথম সর্গ প্রথমে আশাহত হয়েছিনু প্রবাসী প্রবাসে প্রবীণ প্রবীণ ও নবীন প্রভাত প্রভাত উৎসব প্রভাত-উৎসব প্রভাত-উৎসব (সঞ্চয়িতা) প্রভান্তরবির ছবি আঁকে ধরা প্রভাতের ফুল ফুটিয়া উঠক প্রভেদ প্রভেদ (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) প্রলাপ ১ প্রলাপ ২ প্রলাপ ৩ প্রশ্ন প্রশ্ন- শিশু কাব্যগ্রন্থ প্রশ্ন সঞ্চয়িতা প্রশ্ন প্রশ্নের অতীত প্রাইমারি ইস্কুলে প্রাচীন ভারত প্রাণ প্রাণের সাধন কবে নিবেদন প্রায়শ্চিত্ত প্রার্থনা প্রার্থনা (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) প্রার্থনা (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) প্রিয়া প্রেম প্রেমতত্ত্ব প্রেমের আদিম জ্যোতি আকাশে সফরে প্রেমের আনন্দ থাকে প্রেয়সী ফসল কাটা হলে সারা মাঠ হয়ে যায় ফাঁক ফসল গিয়েছে পেকে ফাগুন এল ছারে। ফুরিয়ে গেল পৌষের দিন ফুল ও ফল ফুল কোথা থাকে গোপনে ফুল ছিঁড়ে লয় ফুলদানি হতে একে একে ফুলবালা ফুলের অক্ষরে প্রেম ফুলের ইতিহাস ফুলের কলিকা প্রভাতরবির বঁধুয়া, হিয়াপর আওরে বউ কথা কও বউ নিয়ে লেগে গেল বঙ্গবাসীর প্রতি বঙ্গভূমির প্রতি বঙ্গমাতা বাজাও রে মোহন বাঁশি বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি বঞ্চিত বটে আমি উদ্ধৃত বড়ো কাজ নিজে বহে বড়োই সহজ বধু বন বন-ফুল (প্রথম সর্গ) বন-ফুল (দ্বিতীয় সর্গ) বন-ফুল (তৃতীয় সর্গ) বন-ফুল (চতুর্থ সর্গ) বন-ফুল (পঞ্চম সর্গ) বন-ফুল (ষষ্ঠ সর্গ) বন-ফুল (সপ্তম সর্গ) বন-ফুল (অষ্টম সর্গ) বনবাস বনে ও রাজ্যে বনের ছায়া বন্দী বয়স আমার বুঝি হয়ত তখন হবে বারো বর এসেছে বীরের ছাঁদে বরবধূ বরষার রাতে জলের আঘাতে বরষে বরষে শিউলিতলায় বরের বাপের বাড়ি বর্ষণগৌরব তার বর্ষদেষ বর্ষা নেমেছে প্রান্তরে অনিমন্ত্রণে বর্ষাযাপন বর্ষার দিনে বলিয়াছিনু মামারে বলের অপেক্ষা বলী বলো গো বালা, আমারি তুমি বশীরহার্টেতে বাড়ি বসন্ত আওল রে বসন্ত পাঠায় দূত বসন্ত যে লেখা লেখে বসন্ত-অবসান বসন্তের আসরে ঝড় বসন্তের হাওয়া যবে অরণ্য মাতায় বস্তুতে রয় রূপের বাঁধন বস্ত্রহরণ বহু কোটি যুগ পরে বহু জন্মদিনে গাঁথা আমার জীবনে বহু দিন যারে বহু ক্রোশ দূরে বাঁশি বাঁশি (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) বাঁশিওয়ালা বাংলাদেশের মানুষ হয়ে বাউল বাকি বাকোর যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে বাণী-বিনিময় বাণীর মুরতি গড়ি বাণীহারা বাতাবির চারা বাতাস শুব্যয়, 'বলে তো, কমল, বাতাসে তাহার প্রথম পাপড়ি বাতাসে নিবিলে দীপ বাদরবরখন নীরদগরজন বাদশার মুখখানা গুরুতর গম্ভীর বাদশাহের হুকুম বার বার সখি বারণ করনু বারেক ভালোবেসে যে জন মজে বালক বালিশ নেই, সে ঘুমোতে যায় মাথার নিচে ইট দিয়ে বাসনার ফাঁদ বাসাবাড়ি ব্যহির হইতে দেখো না এমন করে বাহির হতে বহিয়া আনি বাহিরে বস্তুর বোঝা বাহিরে যাহারে খুঁজেছিনু দ্বারে দ্বারে বাহু বিকেলবেলার দিনান্তে মোর বিচলিত কেন মাধবীশাখা বিচার বিচিত্র সাধ বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ (অনুবাদ কবিতা) বিজনে বিজ্ঞ বিদায় বিদায়রথের ধ্বনি বিদায় বিদায় (অনুবাদ কবিতা) বিদায় (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) বিদায় শেষের কবিতা থেকে বিদায়-চুম্বন বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-১ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ - ২ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৩ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৪ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৫ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ- ৬ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৭ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৮ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-৯ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-১০ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ- ১১ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ-১২ বিদেশী ফুলের গুচ্ছ- ১৩ বিধাতা দিলেন মান বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি বিফল নিন্দা বিবসনা বিবাহের পঞ্চম বরষে বিমল আলোকে আকাশ সাজিবে বিরহ বিরহবৎসর-পরে মিলনের বীণা বিরহীর পত্র বিরাট মানবচিত্তে বিরাট সৃষ্টির ক্ষেত্রে বিরাম বিলাপ বিলয় বিশুদাদ্য- দীর্ঘবপু, দুঢ়বাহু দুঃসহ কর্তব্যে নাহি বাধা বিশ্বধরণীর বিপুল কুলায় বিশ্বলক্ষমী বিশ্বামিত্র, বিচিত্র এ লীলা বিশ্বের আলোকলুপ্ত তিমিরের অন্তরালে এল বিশ্বের হৃদয়-মাঝে বিসর্জন বিসর্জন (অনুদিত কবিতা) বিড়ালে মাছেতে হল সখ্য বীরপুরুষ বুদ্ধভক্তি বুদ্ধির আকাশ যবে সত্যে সমুজ্জ্বল বুবু বুড়ি বৃক্ষবন্দনা বৃক্ষরোপণ উৎসব বৃদ্ধ কবি বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর বৃষ্টি রৌদ্র বেছে লব সব-সেরা বেজি বেণীর মোটরখানা বেদনা দিবে যত বেদনায় সারা মন বেলা আটটার কমে বেসুর বৈজ্ঞানিক বৈতরণী বৈরাগ্য বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয় বোঝাপড়া ব্যর্থ ব্যাকুল ব্রিজটার প্ল্যান দিল ভক্তি ও অতিভক্তি ভক্তিভাজন ভক্তের প্রতি ভগ্ন মন্দির ভজনমন্দিরে তব ভজহরি ভবিষ্যতের রঙ্গভূমি ভাগ্যরাজ্য ভার ভারত তীর্থ ভারতসমুদ্র তার বাষ্পোচ্ছ্বাস নিশ্বসে গগনে ভারতী ভারতের কোন্ বৃদ্ধ ঋষির তরুণ মূর্তি তুমি ভালো মন্দ ভালোবাসা এসেছিল একদিন তরুণ বয়সে ভালোবাসে যারে তার চিতাভস্ম-পানে ভাষা ও হুন্দ ভিক্ষা ও উপার্জন ভিতরে ও বাহিরে ভীরু ভীরুতা ভুজ-পাশ-বন্ধ অ্যান্টনি ভুত হয়ে দেখা দিল ভূমিকম্প ভূমিকা ভূমিকা (খাপহাড়া) ভূমিকা (শিশু) ভেসে-যাওয়া ফুল ভোতনমোহন স্বপ্ন দেখেন ভোরের আলো-আঁধারে ভোরের পাখি ডাকে কোথায় ভোলানাথ লিখেছিল ভোলানাথের খেলার তরে ভ্রমণী ভয় নেই আমি আজ রান্নাটা দেখছি ভয়ের দুরাশা মংপু পাহাড়ে মঙ্গলগীত মথুরায় মধ্যাহ্ন মন উড়উড় চোখ ঢুলুঢুল মনে পড়ে শৈলতটে তোমাদের নিভৃত কুটির মনে পড়া মনে ভাবিতেছি যেন অসংখ্য ভাষ্যর শব্দরাজি মনে মনে দেখলুম মনে হয়েছিল আজ সব-কটা দুর্গহ মনের আকাশে তার। মন্ত্রেসে যে পুত রাধীররাঙা সুতো ময়ুরের দৃষ্টি মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান মরীচিকা মরীচিকা (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) মর্তবাসী মর্মবাণী মহতের দুঃখ মহারাজা ভয়ে থাকে মধ্যস্বপ্ন মা-লক্ষমী মাকাল মাঝারির সতর্কতা মাঝি মাঝে মাঝে বিধাতার ঘটে একি ভুল মাটিতে মিশিল মাটি মাতুবৎসল মাধব না কহ আদরবাণী মায়ো মান অপমান উপেক্ষা করি দাঁড়াও মানবপুত্র মানবহৃদয়ের বাসনা মানসলোক মানসী মানিক কহিল পিঠ পেতে দিই দাঁড়াও মাস্টার বলে মাস্টারবাবু মায়াবাদ মিছে ডাক-মন বলে, আজ না মিলন সুলগনে মিলনদৃশ্য মিলের চুমকি গাঁথি ছন্দের পাড়ের মাঝে মাঝে মুকুলের বক্ষোমাঝে মুক্ত যে ভাবনা মোর মুক্তপথে মুক্তবাতায়নপ্রান্তে জনশূন্য ঘরে মুক্তি এই সহজে ফিরিয়া আসা সহজের মাঝে মুচকে হাসে অতুল খুড়ো মুরগি পাখির পরে মধু মুহুর্ত মিলায়ে যায় মূল মৃত্তিকা খোরাকি দিয়ে মৃত্যু মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের মৃত্যুদূত এসেছিল হে প্রলয়ংকর, অকস্মাৎ মৃত্যুমাধুরী মৃত্যুর পরে মেঘদূত মেঘের কোলে রোদ হেসেছে মেঘের পরে মেঘ জমেছে মেছুয়াবাজার থেকে পালোয়ান চারজন মোর কিছু যন আছে সংসারে মোর চেতনায় মোহ মোহ (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) মোহের আশঙ্কা মৌন মৌলানা জিয়াউদ্দিন ম্যাকবেথ যুক্ষ যখন আমায় বাঁধ আগে পিছে যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায় যখন সানতলে যখন ছিলেম পথেরই মাঝযানে যখন জলের কল যখন দেখা হল যখনি যেমনি হোক জিতেনের মরজি যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে যতকাল তুই শিশুর মতো যথাকর্তব্য যথার্থ আপন যদি ইচ্ছা কর তবে কটাক্ষে হে নারী যা পায় সকলই জমা করে যা রাখি আমার তরে যাও তবে প্রিয়তম সুদূর সেখায় যাওয়া-আসার একই যে পথ যাত্রা যাত্রাপথ যাত্রী যাত্রী আমি ওরে যাবার দিন যাবার দিনে এই কথাটি খাবার সময় হোল্যে বিহঙ্গের। এখনি কুলায় যুগল যুগে যুগে জলে রৌদ্রে বায়ুতে যে আঁধারে ভাইকে দেখিতে নাহি পায় যে করে ধর্মের নামে যে ফুল এখনো কুঁড়ি যে যায় তাহারে অার যে রত্ন সবার সেরা যে-মাসেতে আপিসেতে যেদিন উদিলে তুমি, বিশ্বকবি, দূর সিন্ধুপারে যেদিন চৈতন্য মোর মুক্তি পেল লুপ্তিগুহা হতে যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি নাই। যোগিয়া যোগীনদা যৌবন- স্বপ্ন যৌবনের প্রান্তসীমায় রক্তমাখা দন্তপংক্তি হিংস্র সংগ্রামের রঙ্গমঞ্চে একে একে নিবে গেল যবে দীপশিখা রজনী প্রভাত হল রবিবার রসগোল্লায় লোভে রাজপুতানা রাজবিচার রাজমিস্ত্রী রাজা ও রানী রাজ্য বসেছেন ধ্যানে রাজার বাড়ি রাজার মতো বেশে তুমি রাতের গাড়ি রাতের বাদল মাতে রাত্রি রাত্রি (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) রানী, তোর ঠোঁট দুটি মিস্তি রান্নার সব ঠিক রাষ্ট্রনীতি রাস্তায় চলতে চলতে রাহুর প্রেম রাহুর মতন মৃত্যু রায়ঠাকুরানী অম্বিকা রিক্ত রূপ-নারানের কুলে রূপ-বিরূপ রূপসী আমার প্রেয়সী আমার রূপে ও অরূপে গাঁথা রোগীর শিয়রে রাত্রে একা ছিনু জাগি রোম্যান্টিক রৌদ্রতাপ ঝাঁঝাঁ করে লটারিতে পেল পীতু লাজময়ী লুকায়ে আছেন যিনি লুকোচুরি শক্তির শক্তি শক্তির সীমা শক্তের ক্ষমা শত্রুতাগৌরব শনির দশা শরতে আজ কোন্ অতিথি শরতে শিশিরবাতাস লেগে শরতের শুকতারা শা-জাহান শান্তি শান্তিমন্ত্র শিকড় ভাবে, "সেয়ানা আমি শিমূল রাঙা রঙে শিশু ভোলানায শিশুর জীবন শীত শীতের বিদায় শীতের রোদ্দুর শুচি শুন সখি বাজত বাঁশি শুনব হাতির হাঁচি শুনলো শুনলো বালিকা শুভক্ষণ শুরু হতেই ও আমার সঙ্গ ধরেছে শুশ্রূষা শূন্য ছিল মন শূন্য ঝুলি নিয়ে যায় শুনা পাতার অন্তরালে শেষ কথা শেষ কথা (কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থ) শেষ কথা (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) শেষ খেয়া শেষ চিঠি শেষ চুম্বন শেষ বসন্তরাত্রে শেষ বেলা শেষ লেখা শেষ সঞ্চয় শেষ হিসাব শেষদৃষ্টি শেষপর্ব শেষের অবগাহন সাঙ্গ করো, কবি, প্রদোষের শেষের কবিতা শেষের ময্যে অশেষ আছে শ্বশুরবাড়ির গ্রাম শ্যাম মুখে তব মধুর অধরমে শ্যাম রে, নিপট কঠিন মন তোর শ্যামল ঘন বকুলবন শ্যামলা শ্যামা শ্রান্তি শ্রাবণের কালো ছায়া শ্রেষ্ঠ ভিক্ষা সংশয়ী সংসারেতে দারুণ বাঘা সখি লো সখি লো নিকরুণ মাধব সখিরে-পিরীত বুঝবে কে সখী, ভাবনা কাহারে বলে সঙ্গী সজনি গো শাওন গগনে ঘোর ঘনঘটা সজনি সজনি রাধিকালো। সজ্ঞান আত্মবিসর্জন সতিমির রজনি, সচকিত সজনী সতী সত্য সত্য মোর অবলিপ্ত সংসারের বিচিত্র প্রলেপে সত্যের আবিষ্কার সত্যের সংযম সন্দেহের কারণ সন্ধেবেলায় বন্ধুঘরে সন্ধ্যা সন্ধ্যারবি মেঘে দেয় সফলতা লভি যবে সব চেয়ে ভক্তি যার সব ঠাঁই মোর ঘর আছে সবুজের অভিযান সভাতলে ছুঁয়ে কাৎ হয়ে শুয়ে সভ্যতার প্রতি সমব্যথী সময় আসন্ন হলে সময়হারা সমাপন সমাপ্তি সমালোচক সমালোচক (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) সমুখে শান্তি পারাবার সমুদ্র সম্মিলন সময় চলেই যায় সর্দিকে সোজাসুজি সর্দি ব'লেই বুঝি সাঙ্গ হয়েছে রণ সাজ সাড়ে নটা সাত ভাই চম্পা সাত সমুদ্র পারে সাধ সাধারণ মেয়ে সান্ত্বনা সামান্য ক্ষতি সামান্য লোক সাম্যনীতি সারা রাত তারা সারাবেলা সার্থক জনম আমার সার্থকতা সিংহাসনতলচ্ছায়ে দূরে দুরান্তরে সিন্ধু গর্ভ সিন্ধুতীরে সিন্ধুপ্যরে সুখ সুখদুঃখ সুখস্বপ্ন সুখী প্রাণ সুখেতে আসক্তি যার সুধিয়া সুপ্তোত্থিতা সুপ্রভাত সুশীলা আমার, জানালার 'পরে সুসময় সূর্য ও ফুল সৃষ্টি স্থিতি প্রলয় সৃষ্টিলীলাপ্রাঙ্গনের প্রান্তে দাঁড়াইয়া সে তো সে দিনের কথা, বাকাহীন যবে সে লড়াই ঈশ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই সেই আমাদের দেশের পদ্ম সেই পুরাতন কালে ইতিহাস যবে সেতারের তারে সেদিন আমাদের ছিল খোলা সভা সেদিন আমার জন্মদিন সেদিন কি তুমি এসেছিলে ওগো সোনায় রাঙায় মাখামাখি সোনার তরী সৌন্দর্যের সংযম স্কুল-পালানে স্তন স্তব্ধ যাহা পথপার্শ্বে, অচৈতনা, যা রহে না জেগে ভূতি নিন্দা স্ত্রীর বোন চায়ে তার স্থির জেনেছিলাম পেয়েছি তোমাকে মিগ্ধ মেঘ তীব্র তপ্ত মেহগ্রাস স্পর্ধা স্পর্শমণি স্পষ্ট সতা স্পষ্টভাষী স্বদেশদ্বেষী স্বপ্ন স্বপ্ন হঠাৎ উঠল রাতে স্বপ্নরুদ্ধ স্বপ্নে দেখি নৌকো আমার স্বর্গ' হইতে বিদায় স্বর্গ হইতে বিদায় স্বাধীনতা স্বার্থ স্মৃতি স্মৃতি (চৈতালি কাব্যগ্রন্থ) স্মৃতি-পাথেয় স্মৃতিকাপালিনী পুজারতা, একমনা স্মৃতির ভূমিকা স্যাকরা স্রোত হঠাৎ দেখা হম যব না রব সজনী হম সখি দারিদ নারী হরপণ্ডিত বলে ব্যঞ্জন সন্ধি এ হাজারিবাগের ঝোপে হাজারটা হাই হাত দিয়ে পেতে হবে হতে কোনো কাজ নেই হাতে-কলমে আর হার-জিত আর-মানা হার পরাব তোমার গলে হারিয়ে যাওয়া। হালকা আমার স্বভাব হাসি হাসিমুখে শুকতারা সিরাশি আস্যদমনকারী গুরু যায় গগন নহিলে তোমারে ধরিবে কে বা হিং টিং ছট্ হিংস্র রাত্রি আসে চুপে চুপে হিন্দুমেলার উপহার হিন্দুস্থান হিমাদ্রির ধ্যানে যাহ্য হিমালয় হৃদয়ক সাধ মিশাওল হৃদয়ে হৃদয় আকাশ হৃদয়-আসন হৃদয়ধর্ম হৃদয়ের ভাষা যে উষা, নিঃশব্দে এস্যে হে জনসমুদ্র, আমি ভাবিতেছি মনে হে তরু, এ ধরাতলে হে নিস্তব্ধ গিরিরাজ হে পথিক, কোত্থানে চলেছ কাহার পানে হে প্রিয়, দুঃখের বেশে হে বিরাট নদী হে বিশ্বদেব, মোর কাছে তুমি হে ভারত, আজি নবীন বর্ষে হে মোর সুন্দর হে যক্ষ সেদিন প্রেম তোমাদের হে রাজন তুমি আমারে হে হিমাদ্রি, দেবতাত্মা, শৈলে শৈলে আজিও তোমার হেথায় তিনি কোল পেতেছেন হেলাভরে ধুলার 'পরে হোক ভারতের জয় ১৪০০ সাল
হোম খুঁজুন
নোটিশ প্রোফাইল