Shamsur Rahman

Poet

শামসুর রাহমানের (Shamsur Rahman) জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯২৯ তারিখে পুরনো ঢাকার মাহুতটুলি এলাকায় নানাবাড়িতে। বাবা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী ও মা আমেনা বেগম। শামসুর রাহমানের ডাক নাম বাচ্চু। পৈতৃক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রামে। ১৯৫৫ সালের ৮ই জুলাই কবি শামসুর রাহমান জোহরা বেগমকে বিয়ে করেন। কবির তিন মেয়ে ও দুই ছেলে। কবি শামসুর রাহমান ১৯৪৫ সালে পুরনো ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯৪৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ পাশ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং তিন বছর নিয়মিত ক্লাস করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর মূল পরীক্ষা দেননি। ১৯৫৩ সালে পাস কোর্সে বিএ পাশ করে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে এমএ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করলেও শেষ পর্বের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। শামসুর রাহমান বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। জীবদ্দশাতেই তিনি বাংলাদেশের প্রধান কবি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগ, তথা পঞ্চাশের দশকে তিনি আধুনিক কবি হিসেবে বাংলা কবিতায় আবির্ভূত হন এবং অল্প সময়ের ভেতরেই দুই বাংলায় (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম বাংলায়) কবি হিসেবে পরিচিতি পান। আধুনিক কবিতার অনন্য পৃষ্ঠপোষক বুদ্ধদেব বসুর 'কবিতা' পত্রিকায় 'রূপালি স্নান' কবিতাটি প্রকাশিত হলে কবি হিসেবে শামসুর রাহমান সুধীজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীতে উভয় বাংলাতেই তার শ্রেষ্ঠত্ব এবং জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি নাগরিক কবি, তবে নিসর্গ তাঁর কবিতায় খুব কম ছিলো না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর লিখিত তার দুটি কবিতা খুবই জনপ্রিয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক) ছদ্মনামে কলকাতার বিখ্যাত দেশ ও অন্যান্য পত্রিকায় কবিতা লিখতেন। শামসুর রাহমান-এর প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থের সংখ্যা ৬৬ টি। তার প্রথম কাব্য গ্রন্থ 'প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০) । তার উল্লেখযোগ্য কাব্য গ্রন্থ হলো - রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩), বিধ্বস্ত নীলিমা (১৯৬৭), বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২), বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (১৯৭৭), খণ্ডিত গৌরব (১৯৯২) ইত্যাদি। কবি শামসুর রাহমান জীবনে বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক, জীবনানন্দ পুরস্কার, আবুল মনসুর আহমেদ স্মৃতি পুরস্কার, মিতসুবিসি পুরস্কার (সাংবাদিকতার জন্য), স্বাধীনতা পদক, ও আনন্দ পুরস্কার। এছাড়াও ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধিতে ভূষিত করে। তার ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গুগল তাদের হোমপেজে শামসুর রাহমানের গুগল ডুডল প্রদর্শন করে তার জন্মদিন উদযাপন করে। কবি শামসুর রাহমান ২০০৬ সালের ১৭ই আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৩৫ মিনিটে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (উৎস: উইকিপিডিয়া)

আরও পড়ুন
অকথ্য এক অন্ধকারে অক্ষরবৃত্তের টানে অগ্নিপথ অগ্নিবর্ণ এক ঘোড়া অঙ্গীকার অঙ্গুরি এসেছ তুমি অচিন ঘোড়সওয়ার অচিন ফুল অচেনা নয় অজস্র মাইক্রোফোন অজানা পথের ধূলোবালি অজানার ফড়ে অতি পুরাতন বৃষ্টি অতিবর্ষণের পর অতান্ত অস্পষ্ট থেকে যায় অথচ করোনি মাথা নত অথচ তোমার মধ্যে অথচ দরজা থেকে অথচ নিজেই আমি অথচ বেলা-অবেলায় অদৃশ্য ছোরা অবর্মণের গান অধিষ্ঠান অনাথ আশ্রমে অনাবৃষ্টি অনিদ্রা অনিবার্য ঘরে ফেরা অনুবাদ অনুস্মৃতি অনেক শতাব্দী জুড়ে অনেকদিন থেকেই অন্তত এটুকু থাক অন্তর সোনা অন্তরের গহন পাতালে অন্ধকার থেকে আলোয় অন্ধকারের কেল্লা হবে বিলীন অন্য কিছু অন্য কেউ অন্য দৃষ্টি অপচয়ের স্মৃতি অপদার্থের গান অপরাধী অপরূপ চিরন্তন ঘ্রাণ অপরূপ হাত অপাঙক্তেয় অপ্রেমের কবিতা অবসর অব্যক্ত থেকে যায় অভিমানী বাংলাভাষা অভিলাষ অভিশপ্ত নগরের ঠোঁট অভিশাপ দিচ্ছি অমন তাকাও যদি অমর নাম অমলের মতো অমাবস্যা ছিঁড়ে জাগে অর্ফির বাঁশির মতো অর্ফিয়স অলীক আশার বাণী অলৌকিক আলোর ভ্রমর অলৌকিক আসর অশনি সঙ্কেত অসামান্য তিথি অসিত উত্থানে অসুখ অসুস্থ ঈগল নীলিমায় অস্তিত্বের তন্ময় দেয়ালে অস্ত্রে আমার বিশ্বাস নেই অস্থি অ্যাকোরিয়াম, কয়েকটি মুখ অ্যাপোলোর জন্যে অআঁধার তাড়ানো হুড়া আইসক্রিম আকাশ আসবে নেমে আকাশ এমন দ্রুত কেন কালো আকাশে অনেক মুখ আক্রান্ত হয়ে আখেরে আঁধারে আগন্তুক আগুনে রেখেছ্যে হাত আঘাটায় আচমকা কুয়াশা-কাফন আচ্ছা যদি সাত আকাশে আজ কার কাছে আজকাল খুব বেলা করে আজকাল বহু রাত আজীবন আমি আততায়ী আভা গাছে, ডালিম গাছে আত্মজীবনী বিষয়ক আত্মজীবনীর খসড়া আত্মজৈবনিক আত্মপ্রতিকৃতি আত্মহত্যার আগে আদিম স্মৃতির মতো আদ্যিকালে আনাড়ি আন্ধারে হারিয়ে পথ আপস আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, তোমাকে আবহ মোরগ ঘোরে আবার এসেছো তুমি আবার নিভৃতে আবার মুষলপর্ব আবার যাবে কি চলে? আবাসিক আবুল হোসেন শ্রদ্ধাস্পদেষু আমন্ত্রণ আমরা কি যেতে পারি আমরা ক'জন শুধু আমরা প্রার্থী তারই আমরা যা লিখি আমাকে অস্থির করে আমাদের ভালোবাসায় সন্তান আমাদের মৃত্যু আসে আমার অজ্ঞতা নিয়ে আমার অন্তর জুড়ে শহুরে-গ্রামীণ সুরধারা আমার অভদ্র পদা আমার অভিযোগের তর্জনী আমার অসমাপ্ত কবিতা আমার অসুখ আমার আঙুল কামড়ে ধরে আমার আস্তিনে আমার উঠোন আমাকে আমার উড়োজাহাজ আমার এ ছোট ঘর আমার এ শহরের চোখ আমার একজন প্রতিবেশী আমার কণ্ঠস্বর আমার কবিতা জুড়ে শুয়ে আছ আমার কলম আমার কাছ থেকে সরিয়ে দাও আমার কাছে আমার কোনো ভাড়া নেই আমার ক্ষুধার্ত চক্ষুদ্বয় আমার ক'জন সঙ্গী আমার খাতা আমার চেয়ে অধিক আমার ছেলেকে আমার ছড়া আমার তৃষ্ণার জল আমার দুঃখের ভারে আমার দেশের শিশু আমার নিঃসসঙ্গ চক্ষু আমার নিবাস আমার নির্মাণ আমার পুরোনো চটি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আমার প্রেমের মধ্যদিনে আমার ফসল আমার ব্রত আমার ভালোবাসা আমার মননে। আমার মাকে আমার মৃত্যুর পরে আমার মৃত্যুর পরেও যদি আমার যা বলার। আমার শহর আমার শহর, প্রিয়তম শহর আমার সন্তা শ্লোক হয়ে আমার সময় চাই আমার স্বরের ডালে আমার স্বস্তিতে ধরায় ফাটল আমার হারিয়ে-যাওয়া ডায়েরি আমি অনাহারী আমি আমার স্বপ্নগুলি আমি আর আমি নই আমি আর করবো কত শোক আমি এক ভদ্রলোককে আমি কি এমনই নাই। আমি কি নিজের ঘরে আমি কি পারবো? আমি কি বলেছি আমি কী করে কাজ পাবো আমি কোথায় এসে পড়েছি আমি চাই আজ আমি তো মেলারই লোক আমি ভারি লোভাতুর আমি হই বর্তমান আমিও তোমারই মতো আমিও বনের ধারে আমৃত্যু আমার সঙ্গী কবিতার খাতা আমের কুঁড়ি, জামের কুঁড়ি আর কতদিন থাকব আরপাক আরশোলা আরাগঁ তোমার কাছে আরো কিছু সময় আলাদা এক রা আলো অন্ধকার আলোর পাখি আশংকা আশি দশকের পদাবলি আশ্চর্য আষাঢ়ী পূর্ণিমায় আসলে তা নয় আসাদের শার্ট আসুন আমরা আজ আড়িপাতা নয় আয় ঘুমানি আয়না ইঁদুর কাটে ইকারুশের আকাশ ইচ্ছা ইচেছ তাঁর ইচ্ছে ইচ্ছেগুলি থেঁতলে দিয়ে ইচ্ছেটাও মৃত ইতিহাস মিথ্যার কুহক ছিঁড়ে ইতিহাস, তোমাকে ইতিহাসের পাতা ইতিহাসের পাতা থেকে ইতিহাসের মোড়ে দাঁড়িয়ে ডাকছি ইদানীং বঙ্গীয় শব্দকোষ ইদানীং সন্ধ্যেবেলা ইদানীং সুটকেস ইন্দ্রজাল ইন্দ্রাণীর খাতা ইরাকের গান ইলেকট্রার গান ইলেকট্রিকের তার ছেড়ে খল্লি ইল্লি ঈগল এবং আমি ঈগল কি কাঁদে ঈদকার্ড, ১৯৭৭ ঈর্ষা-বিছা ঈষৎ কম্পনে উইলিয়াম কেরীর স্মৃতি উকুনে বুড়ি উচ্চারণ উত্তর উদ্দাম আসবো ফিরে উদ্বাস্ত উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ উদয়াস্ত দেখি ছায়া উপসর্গ উপেক্ষার পর্দার আড়ালে উপোসী সন্তের মতো উভয়সঙ্কট উন্মত্ততা বয়স্য আমার উলটো উল্টো দিকে ছুটে যাচ্ছে ট্রেন উল্টো সুর উৎপাত উৎফুল্ল পূর্ণিমা যখন প্রখর অমাবস্যা উৎসব উড়ির চর ঋণী এ অতি সামানা কথা এ আগুন আমাদের এ আমার খেলা এ এক আজব খেলা এ কাকে দেখতে গিয়ে এ কার স্মরণসভা এ কি আমাদেরই দেশ? এ কেমন কাল এল এ কেমন কালবেলা এ কেমন কৃষ্ণপক্ষ এ কেমন বৈরী তুমি এ কেমন রাত এলো? এ কেমন স্বভাবের তিলক এ পথে আমার পর্যটন। এ যুদ্ধের শেষ নেই এ রকমই হয় এ শহর এ শহর ঢাকাতেই এ শহরে এক কোণে এ-ও তো বাংলাই এক এই আর্ত বর্তমান এই গলিতে এই ডামাডোল, এই হট্টগোল। এই তো দাঁড়িয়ে আছি এই নবান্নে এই পরিণতি জেনেও এখনও এই পৃথিবীকে এই মাতোয়ালা রাইত এই মেলা এই যে শুনুন এই রক্তধারা যায় এই শহরে এই সন্ধ্যেবেলা এই সড়কে এইতো দু'দিন পরে এইসব ফুল এক দশক পয়ে এক ধরনের অহংকার এক ধরনের জিকির এক মহিলার ভাবনা এক যে ছিল করি এক যে ছিল টিয়ে এক রাতে হযরত ওসমান একজন একজন কবি দেখছেন একজন কবিঃ তার মৃত্যু একজন কবির প্রয়াণ একজন জেলে একজন পাইলট একজন বেকারের উক্তি একজন ভ্রমণকারী একজন মানুষকে নিয়ে একজন মৃতদেহ একজন রূপালি কবির কাছে একজন লোক একজন শ্যামলের উক্তি একজোড়া চোখ একটা কেমন তক্ষশিলা একটা চাদর একটি অনন্য মালা একটি অনুপস্থিতি একটি আশ্চর্য মুখ একটি এলিজি একটি কবিতার জন্যে একটি কান্না একটি কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব একটি কুটিরের কাহিনী একটি গাধাকে দেখি একটি ঘোড়া একটি জীবনচরিত একটি টিনের বাঁশি একটি তালিকা একটি দুপুর একটি দুপুরের উপকথা একটি দৃশ্যের আড়ালে একটি নিষিদ্ধ নীড় একটি পুরনো ফটোগ্রাফ দেখে একটি প্রস্থান, তার অনুষঙ্গ একটি প্রাচীন সংলাপ একটি ফটোগ্রাফ একটি ফ্রিজ শটের জন্যে একটি বাগান একটি বাগানের কাহিনী একটি বাদামি ঘোড়া একটি বালকের জন্যে প্রার্থনা একটি ভ্রূণের উক্তি একটি মাছের স্মৃতি একটি মুক্তো একটি মৃত্যুবার্ষিকী একটি শিশুকে একটি সামান্য সংলাপ একদা একদা তোমার আমি একদা যাদের নাম। একদিন দুপুরে একদিন রাস্তায় একপাল জেরা একবার নিশীথের প্রথম প্রহরে একশ চার ডিগ্রী জ্বর একান্ত গোলাপ একি আজব এক্ষুণি আমার কিছু কেনাকাটা করবার আছে এখন আমার শব্দাবলি এখন আমি এখন তো মৃতরাই প্রশ্নশীল এখন তোমাকে ছাড়া এখন নিজেকে বলি এখন সে কথা থাক এখনো উদ্বেগে কাঁপি এখনো নিজেকে এখানে দরজ ছিলো এখানে রেখেছি লিখে এখানেই আছে ঘর এখানেই বেইলি রোডে। এতকাল বৈঠা বেয়ে এতদিন যে-কবিতা আমার লেখা হয়নি এবং প্রকৃত বিল্পবীর মতো এভাবে কতক্ষণ বসে থাকব এমন উল্লেখযোগ্যভাবে এমন কুটিল অন্ধকারে এমন থাকতে পারি এমন বর্ষার দিনে এমনিভাবে এর পরেও এরকম কিছু এরকম হলে এরপরও এরা চেনা কেউ নয়? এয়ারপোর্ট বিষয়ক পংক্তিমালা ঐকান্তিক শ্রেণীহীনা ঐতিহাসিক ওই মৌন আকাশের ওডেলিভ ওফেলিয়ার গান ওরা চলে যাবার পরে ওরা চায় ওরা তিনজন ক এখন ক-এর আঙুল থেকে। কখন পাবো মুক্তি? কখনও কখনও মানুষেরই হাত কখনও কোথাও কখনও হাটে নেই কখনও-সখনও কখনো আমার মাকে কখনো কখনো কখনো কখনো স্মৃতি কঙ্কালের সঙ্গে কত আর কেটে ছেঁটে কত পদচ্ছাপ কতকাল পরে কতদিন কতবার ভাবি কতিপয় উচ্চারণ কতো মাই লাই কথকতা কথার জন্যে কথার জেরুজালেম কথোপকথন কদ্যকার মূর্তির ভিতর থেকে কবন্ধ তাণ্ডব কবন্ধের যুগ কবর সাজাই কবর-খোঁড়ার গান কবি কবি (মাতাল ঋত্বিক কাব্যগ্রন্থ) কবি এবং ঘোড়া কবিকাহিনী কবিকে দিও না দুঃখ কবিতা কবিতা আমার ওষ্ঠে কবিতা লিখতে গিয়ে কবিতা লিখতে না পারা কবিতা, দ্বিরাপিণী কবিতাকে কেউ কবিতাকে পূর্ণতা দেয়ার বাসনায় কবিতার অন্তঃ পুরে কবিতার আসা না আসা কবিভার প্রতি ড্যাম্না কবিতার মৃত্যুশোক কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি কবির অশ্রুর চেয়ে দামী কবির আভায় প্রজ্বলিত কবির কণ্ঠস্বর কবির কল্পনার মায়াবিনী কবির জীবন কবির ডায়েরী কবির নির্বাসন কবির রক্ত কবিয়াল রমেশ শীল কমা সেমিকোলনের ভিড়ে করাঘাত হওয়া চাই করোনি কসুর কর্ণমূল থেকে খুলে কলঙ্ক কলতলাতে কলমের চুম্বন কলের বাঁশি কাঁটাতার কাঁটার মুকুট কাঁদতে পারি না কাঁহাতক কাউকে দেখতে পেলাম না কাক কাক কাহিনী কাক ডাকে কাকে ভালোবাসবে কার্ত্তিক্ষত অর্কেস্ট্রার প্রতীক্ষায় কাজ কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি কাঠের ঘোড়া কাতরতা বেড়ে যায় কাদামাখা অবেলায় কাদের জন্যে কাননবালার জন্যে কানামাছি ভোঁ ভোঁ কান্না কাব্যতত্ত্ব কারো একলার নয় কারো দণ্ডে কাল থেকে ফের কাল রাতে স্বপ্নে কাল সারারাত কালঘুম কালদীর্ণ কোকিলের মতো কালেভদ্রে একটুখানি কালো মেয়ের জন্যে পঙক্তিমালা কিংবদন্তি হয়ে কিংবদন্তির কথা বলে যাবে কিংবদন্তী কিছু কথা ছিল কিছু ঘুড়ি কিছু না কিছু নিয়ে কিছুই অচেনা নয় কিছুই পারি না কিছুদিন থেকে কিশোরররূপে একজন কবির প্রতিকৃতি কী কঠিন কাজ কী করে করবো বসবাস কী করে কেবলি হরময়ী কী করে বোঝাবো? কী করে যে বেঁচে ছিল কী কী করতে হয় আমাকে কী করে আমরা কী ক'রে লুকাবে? কী জনো এই মধ্যরাতে কী তবে আমার কাজ কী পরীক্ষা নেবে? কী ব্যাপক লোভে কী ভাবছো তুমি? কী যুগে আমরা করি বাস কী রকম সাজ কী-যে হয় কীভাবে আমার উদ্ধার হবে? কীভাবে করবো শুরু কুচকাওয়াজ, কুচকাওয়াজ কুয়াশায় নিমীলিত কৃতজ্ঞতা স্বীকার কৃষ্ণপক্ষে কৃষ্ণপক্ষে অসহায় পঙ্ক্তিমালা মহিমাবিহীন স্বীশু কে আসে এমন ধু ধু অবেলায় কে তুমি আমাকে কে তোমরা কে দেবে অভয় কে দেবে জবাব। কে যেন তরঙ্গ তুলে কুয়াশায় কে যেন দিয়েছে রুয়ে কেউ কি এখন কেউ কি পালিয়ে যায় কেউ না ডাকলেও কেন তুমি কেন তুমি অভিমানে কেন তোমাকে ভালোবাসি? কেন মানুষের মুখ কেন যে আমার এই ঘরে কেন যে উন্মাদ হয়ে যাইনি কেন্নো, কেঁচো নই কেবল একটি শব্দ केवल মৃত্যুই পারে কেবলি তলিয়ে যাচ্ছি কেমন আলাদা, স্বর্গফেরা কেমন করে হঠাৎ তুমি কেমন করে শেখাই তাকে কেড়ে নেবে ওরা কোকিল কোকিল মুক হয়ে থাকে কোকিলের গানে কোকিলের ডাক কোথাও কেউ নেই কোথাও পারি না যেতে কোথাও সোনালি ঘণ্টা কোথায় চলেছি কোথায় তুমি? কোথায় দাঁড়াবে? কোথায় মনের মুক্তি কোথায় শিউলিতলা কোন দিকে? কোন দৃশ্য সবচেয়ে গাঢ় হয়ে আছে? কোনো অশ্বারোহীকে কোনো ইন্দ্রনীল অভিমান নেই কোনো একজনের জন্যে কোনো ঐন্দ্রজালিকের প্রতি কোনো কোনো কবিতা কোনো কোনো কবিতার শিরোনাম কোনো কোনো মুহূর্তে হঠাৎ কোনো তরুণকে কোনো পরিচিতাকে কোনো সাইকেলচারীর উপাখ্যান কোন্ সে ব্যাধির কোন্ সে মানবী কোমল গান্ধার ক্যালেন্ডার পালটে গেলে ক্লান্ত তুই ক্লিষ্ট স্মৃতি ক্ষণকাল ক্ষত এবং ধনুক ক্ষমাপ্রার্থী ক্ষুধা ক্ষ্যাপার মতোই ঘুরি ক্ষয় ক্ষয়কাশ কড়া নেড়ে যাবে কয়েক পুরুষ ঘরে কয়েকটি রঙিন নুড়ি কয়েকটি স্বর ক'দিন তোমার আসা-যাওয়া খণ্ডিত গৌরব খনন খরার দুপুরে খাঁচা খাদ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুঁজছি সেই যুবাকে খুঁজি ক্ষুর অনুরাগে খুকু আর তিনটি পাখি খুপরির গান খুব প্রয়োজন ছিল খুলোনা এ মুখ খুশি, হঠাৎ খুশি খেল খেলনা খেলনার দোকানের সামনে ভিখিরি খেলাঘরে খেলাচ্ছলে ভুল ক'রে খোঁপায় সাজায় লাল ফুল খোকন যা যা করে খোকা খুকী মনে রেখো খোকার ইচ্ছে খোকার খাতা খোকার জন্যে খোকার দাদুর খাতা খোকার প্রার্থনা খোলা উঠোন জুড়ে গগদা সনেট: ১২ গদ্য কবিতার চালে গদ্য সনেট: ১ গদ্য সনেট: ১০ সদ্য সনেট: ১১ সদ্য সনেট: ১৩ গদ্য সনেট: ১৪ গদ্য সনেট: ১৫ গদ্য সনেট: ২ গদ্য সনেট: ৩ গদ্য সনেট: ৪ গদ্য সনেট: ৫ গদা সনেট: ৬ গদ্য সনেট: ৭ গদ্য সনেট: ৮ গদ্য সনেটঃ: ৯ গন্ডার গন্ডার গরিলারা দলে দলে গলির বাসিন্দা গলে-যাওয়া দীর্ঘকায় লোক গাঁও গেরামের কথা গাঁও গেরামের লোক গাঁওবুড়াদের মুখে গাছতলার লোক গাছের জন্য গান থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসে গাড়ল গুড মর্নিং বাংলাদেশ গুণী বন্ধু আনিসুজ্জামানের উদ্দেশে গুন খুন গুপ্ত সেতু গুপ্তধন গুলিবিদ্ধ লাশের মতন গুঢ় সহবতে গৃহস্মৃতি গেরিলা গেরোবাজ পায়রার মতো গোপনতা গোরস্তানে কোকিলের করুণ আহ্বান গোলাপ ফোটে গোলাপ বাগানে সোম্পদ এবং মন গৌণ শিল্প গ্রন্থস্বত্ব গ্রন্থে আছেন শহীদুল্লাহ প্রামীণ গ্রীষ্মে তার নিজের কথা ঘণ্টা বাজে ঘরবাড়ি ঘরে-ফেরানো গানের জন্যে ঘরের মাঝখানে ঘরোয়া ঘাসের সবুজ ঘ্রাণ ঘুম ঘুম ভেঙে গেলে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরে দাঁড়াও ঘুরে দাঁড়ানোর পদ্ধতি ঘুরে দাঁড়ালাম ঘুড়ি ঘুড়ি (মাতাল ঋত্বিক কারাগ্রন্থ) ঘৃণা, তুই ঘৃণায় নয় ঘোড়ার গাড়ি চকিে একটি বাক্য চতুর্দপর্দী চতুর্দশপদী চতুষ্পার্শ্বে বয়সের ছায়া চন্দ্রোচ্ছ্বাস চর তাকে ডেকে আনে চর্যাপদের হরিণী চলবেই শিল্পীর তুলি, কবির কলম চলেও আসতে পারে চাঁদ মামাকে চাঁদ সদাগর চাঁদের দেশে কিছুক্ষণ চারটি স্তবক চাষাবাদ চায়ের দোকানে বসে চিকিৎসকের চেম্বারে চিরকেলে প্রশ্ন চুম্বন চেগুয়েভারার চোখ চেনা অচেনার সঙ্গত চেন্নাইয়ের এক প্রত্যুষে চেয়ার অস্বস্তিকর চোখ জুড়ানো দ্বীপে এখন চোর চোরকুঠরির বাসিন্দা ছন্নছাড়া ধূলিঝড়ে ছবি ছবি আঁকিয়ে ছাঁটাই ছাই হায়াবিলাস ছায়ের ত্রিভুজ ছায়ায় আমেন ছিল না ছিল সে-৪ ছিলেন এক কবি ছুঁচোর কেত্তন ছেলেটা পাগল নাকি? ছেলেবেলা ছেলেবেলা থেকেই। ছোট্ট শিশুদের জন্যে হুড়া হুড়া পালানোর পর হড়ায় এক ইতিহাস জংধরা খাঁচার ভেতর জনপথ লেখে জনৈক পথচারী জনৈক বিপ্লবীর কথামালা জনৈক সহিসের ছেলে বলছে। জন্মদিনে ভেজা চোখ জমিনের বুক চিরে জমে দীর্ঘশ্বাস জরুরি অন্তত জর্নাল, শ্রাবণ জলের এমনই রীতি জাতিসংঘে অবিরল তুষার ঝরলে জাদুকর জাদুঘর জাদুর বাসা জানা নেই জাভেদ তোমার কথা জাল জিন্দা লাশ জীবন কেটেই গেল প্রায় জীবন তো প্রকৃত খেলার মাঠ জীবনের নানা বাঁকে জীবশ্ম জীবিতের পাথুরে স্তব্ধতা জুনের দুপুর জুয়েলের জাদু জেদি ঘোড়াটা জ্বলছে স্বদেশ জ্যোৎস্না-রাতে জ্যোৎস্নামাখা মধ্যরাতে জ্যোৎস্নাময়ী জ্যোৎস্নারাতে পাঁচজন বুড়ো জ্যোৎস্নায় ভাসছে ঢাকা জয়ঢাক বাজাতে আগ্রহী আজও জয়দেবপুরের মুক্তিযোদ্ধা জয়নুলী কাক জয়ের পথে খোকা ঝুঁটি দোলানো নাচ ঝুটের জোরে জ্বলন্ত রেস্তেতারাঁ ঝড় ঝড়ের মুখে টইটম্বুর টাইরেসিয়াসের মতো টানাপোড়েন টানেলে একাকী টিকটিকি টিকিট টুকরো ছবি টেবিলে জমাট মেঘ টেলিফোন ট্রেন ট্রেনের জানালা থেকে ঠাকুর বাড়ির সেই ছেলেটি ডাকছি ডাকহরকরা বিলি করলেও। ডাক ডালকুত্তা ডালিমগাছ ডালিমতলায় ডাহুক ডায়েরির একটি পাতা। ডুবে যেতে যেতে ডেডেলাস ঢের ঢের দিনরাত ঢের পথ ঘুরে এক হ্রদের কিনারে ড্যাম কুড়কুড় তক্ষক তখনই হঠাৎ ৩টি ভাঙার জেদ তবু, তাকেই তবু তোমাকেই তবু হয়, এরকমই হয় তবুও তাণ্ডবে তবুও বাঁচতে চাই তবে কি বৃথাই আমি তবে মননেও তরুণ কবির প্রতি তসলিম রশিদের জীবনযাপন তাঁর ছায়া তাঁর পেছনে তাকালেই চোখে পড়ে। তাকে কি বলা যায়? তাচ্ছিল্য উজিয়ে তাদের কথা তামার চাঁদ তার আগে তার উক্তি ভার উদ্দেশেই ন্যস্ত তার ঘুড়ি তার চোখে আমি তার শয্যার পাশে তার সঙ্গে জানাশোনা তারও মন তারা ক'টি যুবা তারার দোলনায় দীপিতা তারার মালা তালে তালে তিন যুগ পর তিনজন তিনজন ঘোড়সওয়ার তিনজন বুড়ো তিনজন যুবকের গর্জে ওঠা তিনটি ঘোড়া তিনটি বালক তিনটি স্তবক তিনটি হরিণ তিনটি হাঁস এবং পিতামহ তিনশো টাকার আমি তিনি তিনি এসেছেন ফিরে তিনি বোধ করলেন তিনি সূর্যাস্তের লোক তিরিশ বছর তুমি তুমি অন্তর্হিতা তুমি আছ তুমি আজ অধিরাজ তুমি আমাকে দিয়ে বলিয়ে নাও তুমি একটা বাড়ি খুঁজছো তুমি কি আসবে ফের তুমি কে হো তুমি চলে গেলে তুমি চলে গেলেও তুমি তো এসেই বললে তুমি তো চলেই যাবে তুমি বলেছিলে তুমি মিথ্যাခဲ့ছিলে তুমিই গন্তবা তৃণে খুঁজি তীর তৃতীয় পক্ষ তেজি পতাকা তেপান্তরে তোমরা পালিয়ে যাবে? তোমাকে ঘিরে আমার কোনো কোনো সাব তোমাকে দিইনি আংটি তোমাকে দেখি প্রতিক্ষণ তোমাকে দেখে তোমাকে পাওয়ার জন্যে, যে স্বাধীনতা তোমাকে পাঠাতে চাই তোমাকে ভাবছি তোমাকেই ডেকে ডেকে তোমাকেই বলি তোমাকেই ভাবে তোমার ঔদাস্য তোমার কথাই ঠিক তোমার কি মনে পড়ে তোমার কিসের ভাড়া ছিলো তোমার কুশল তোমার গোলাপগুলি তোমার ঘুম তোমার চিঠির একটি বাক্য তোমার চোখ তোমার জন্মদিন তোমার জন্যেই বাঁচি তোমার নাম তোমার নাম এক বিপ্লব তোমার নালিশের পরে তোমার নিদ্রার দিকে তোমার নির্মিত নক্ষত্রেরা তোমার পুরোনো ছবি দেখে তোমার ভয়ের কথা তোমার যাবার আগে তোমার সকল খেলা তোমার সঙ্গে তোমার সান্নিধ্যে তোমার স্মৃতি তোমারই পদধ্বনি তোর কাছ থেকে দূরে থমকে থেকো না থামরে বৃষ্টি দন্ডিত মানুষ দরজার কাছে দর্পণে প্রতিফলিত দাঁড়াও দাঁড়াবো কোথায় আজ? দাগ দাবানল দামাল ছেলে দালান দিগন্তের অন্তরালে দিগন্তের বুক চিরে দিদাভায়ের ঝুলি দিন রাত্রি দিব্যোম্মদ দীপিতা আর মেঘ দীপিত্য তুই যাবি কি আজ দীপিতার খাতা দীপিতার খেলা দীপিতার খেলা আর পড়া দীপিতার পাখি দীপিতার পুতুলের বিয়ে দীপিতার প্রশ্ন দীপিতার বায়না দীপ্র ধ্বনি তুলি দীর্ঘ আয়নায় নিজের হায়া দীর্ঘ কেঁদে যায় দীর্ঘ পথ হাঁটার পর দুঃখ দুঃখ পেতে থাকি দুঃখভোগ দুঃসময়ে মুখোমুখি দুই তীর দুই পাখির ঝাঁকে দুই প্রান্ত দুই বন্ধুর কথা দুই বীর দুই যাত্রী দুখিনী সাঁথিয়া দুটি মেয়ে দুপুর প্রবেশ করে দুপুর, একটি পাণ্ডুলিপি দুপুর, তুমি এবং পাখি দুপুর-রাতে দুপুরে বেগমবাজারে দুপুরে মাউথ অর্গান দুলছে হাওয়ায় তাজ দুলবে তারার মালা, হবে জয়ধ্বনি। দু এক দশকের দূরে থাকে ঘর দূরের একটা বাড়ি আমাকে দুর্মর আকাঙক্ষা দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তর দৃশ্য, অদৃশ্য দৃশ্যপট, আমি এবং অনেকে দৃশ্যাবলী দেখছি এখন এই দেখব কুড়ানো দেখা যায় কিনা দেখা হওয়া না-হওয়া দেখা হলো না দেখার ধরন দেবার মতোন কিছু নেই দেবে না, তোমরা দেবে না দেহতত্ত্ব দোদুল্যমান দোরগোড়া থেকে দোলনা নয় দ্বিতীয় পাখি দ্বিতীয় যৌবন দ্বীপ দ্য গেম ইজ ওভার দ্রুত মুছে দেবো ধন্য সেই পুরুষ ধীমান কিষান ধীরেসুস্থে হেঁটে যেতে যেতে রূপ ধূপা ধূপ বুলায় গড়ায় শিরস্ত্রাণ ধুলায় ধুলায়, ঘাসে ঘাসে ধুলোমাখা জলরঙ ধূসর দিন, অমাবস্যা-রাত বোঁয়াশায় ধ্বংসকেই দ্রুত ডেকে আনে ধরস্ত দ্বারকায় নক্ষত্র-বিচ্ছুর জন্যে নখ নজরুল নন্দনতত্ত্বের বই নন্দলাল বসুর সঙ্গে কিছুক্ষণ নব্বইয়ের একজন শহীদের স্ত্রীকে দেখে নব্য মানবের স্তব নরমুণ্ডের নৃত্যে নস্টালজিয়া না জানি কোন্ বিপদ না. আমি উন্মাদ নই। নাটক নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের সৈকতে নান্দনিক সত্যের পাঁচালি নাবিক নাম ধরে ডেকে যাবো নায়কের প্রতীক্ষায় নিঃসঙ্গ খনন নিঃসঙ্গ জুতো নিঃসঙ্গতা নিঃস্ব কৃষক যেমন নিজস্ব উঠোনে নিজস্ব সংবাদদাতা নিজেকে বুঝে নিতে চাই নিজেকে হিতোপদেশ নিজের অজ্ঞাতেই নিজের কবিতা বিষয়ে কবিতা নিজের কবিতার প্রতি নিজের ছায়া নিজের ছায়ার দিকে নিজের নিকট থেকে নিজের পায়ের দিকে তাকাতেই নিজের বিষয়ে নিজের শহর ছেড়ে নিঝুম বৃষ্টির সুর নিঠুরা যমজ ভগ্নী নিত্য বেশি টানে নিভিয়ে এক ফুঁয়ে নিমন্নতা নিরন্তর দোটানায় নিরুদ্দেশ দেয়াল নিরুপমার কাছে প্রস্তাব নির্জন তরণী নির্জন দুর্গের গাঘা নিষ্পিষ্ট বেহালা নিয়ত স্পন্দিত নিয়ন্ত্রণ নীরব অতিথি নীরবই থাকবো আজ নীলে ঘোড়া নুষের জনৈক প্রতিবেশী নেকড়ের পালে একজন নেতা নেহারের জন্যে নৈঃসঙ্গ্য-লালিত আমি নৈশ প্রহরে পরস্পর নো এক্সিট নৌকা কাহিনী নয়না আয় নয়না এবং টইটম্বুর নয়না তার বোনকে বলে নয়না তোর নাচন দেখে নয়নার জন্মদিনে পঁচিশ বছর ধরে পক্ষপাত পক্ষীরাজ পক্ষীসমাজ পণ্ডশ্রম পতন পতাকারই মতো গহন সৌন্দর্যে একা পথে যেতে পথে যেতে যেতে পদত্যাগ পরস্পর হাতে হাত রেখে পরা বাক পেতে চায় পরিসংখ্যান পর্যটন পাইথন পাখি পাখির ভূমিকা পাখিরে তুই পাতালে বিশেষ স্বাদ আছে পান্থজন পারবে কি? পারবো নাকি পূর্ণিমার চাঁদ এনে পারি না ফোটাতে পারিপার্শ্বিকের আড়ালে পারিবারিক ব্র‍্যালবাম পার্ক থেকে যাওয়া যায় পার্কের নিঃসঙ্গ খঞ্জ পার্টীর পরে পলা পাস্তারনাকের কাব্যগ্রন্থের নিচে পাড়াগাঁর অন্ধকার পিঁপড়ের দ্বীপে পিছুটান পিঞ্জরে শরীর ঘষে পিতলের বক পিতা পিতা-পুত্র পিতার প্রতিকৃতি পুতুল নাচের ইতিকথা পুনর্মিলনের আগে পুরাকালে পুরাপ পুরাণের পাখি পুরোনো ভৈলচিত্র পুরোনো দিনের টানে পুলিশ রিপোর্ট পুলিশও প্রত্যক্ষ করে পূর্ণিমার জাগরণে পূর্বপুরুষের রক্ত পূর্বরাগ পূর্বাপর পূর্ব্বে না-দেখা ঝর্নার সান্নিধ্য পেয়ে যাই পোস্টার পোড়া বাড়ি পোড়ায় আমাকে প্যারাবল প্রকারভেদ প্রকৃত কতটা পথ প্রকৃত কবিতা প্রকৃত প্রস্তাবে প্রকৃত বোড়া যদি প্রকৃত মুক্তির আলোকিত জনতার শ্রেয় দেশ প্রকৃতির কাছে প্রগতির পথে প্রতিক্ষণে প্রচ্ছন্ন একজন প্রজাপতি প্রণয়কৌতুকী তুই প্রণয়ের সংজ্ঞা প্রতিটি অক্ষরে প্রতিটি নিঃশ্বাসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিমাসন্ধানী প্রতিযোগী প্রতীক্ষা প্রতীক্ষায় প্রতীক্ষায় থাকি প্রতীক্ষায় প্রতিক্ষণ প্রতীতি আসেনি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রত্যাখ্যান প্রত্যাবর্তন প্রত্যাশা ছিল না কোনো প্রত্যাশা জেগে নয় প্রত্যাশার প্রহর প্রত্যাশার বাইরেই ছিল প্রথম দেখা প্রবাসী প্রভুকে প্রমাণ প্রলয়ান্তে প্রশ্নোন্তর প্রাত্যহিক প্রার্থনা প্রায়শ্চিত্ত প্রিয় স্বাধীনতা প্রেম তুমি এলে প্রেমিকের গুণ প্রেমের কবিতা প্রেমের কবিতা হ'য়ে যায় প্রেমের পদাবলী প্রৌঢ় অধ্যাপকের মতে পড়শি প'ড়ে আছি রুক্ষ দ্বীপে ফাঁসি ফাও ফাটলসর্বস্ব এক দালান ফিনিজের সান ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা ফিরে আয় উত্তরাধিকারী ফিরে তাকাব না ফিরে যাও ফিরে যাচ্ছি ফুটপাত ফুটফুটে ফুল ফুটলো হাসি ফুল ফুলভোর ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ফের উঠে সোজাই দাঁড়াই ফেরার পর ফোটে বুনো ফুল ফ্ল্যাশব্যাক এবং বংশধর বদলে ফেলি বনে জঙ্গলে বন্দনীয় বন্দী শিবির থেকে বন্ধ দরজার দিকে যায় বন্ধু তুমি অকম্পিত হাতে বন্ধুকে প্রস্তাব বন্ধুকে বললাম বন্ধুদের প্রতি বন্ধুবরেষু বন্ধুর জন্যে বরং বরকতের ফটোগ্রাফ বরষা আসে বরাভয় বর্গি-তাড়ানো গান বর্ণ নিয়ে বর্ণমালা দিয়ে বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা বর্ষা এলে বলতে যাবো না। বলার কিছু নেই বলো তো তোমাকে ছেড়ে বসতিতে, মনীষায় বসতে পারো। বসে আছে বস্তির খুব কাছে বস্তুর আড়ালে বহু কিছু থেকে ছুটি বহুদিন আগে একজন বৃদ্ধ বহুদিন পর একটি কবিতা বহুদিন পর মাকে বাঁচতে দাও বাঁচাবে বাঁচো, তুমি বাঁচো বাশিঅলা বাংলা কবিতার প্রতি বাংলা ভাষা উচ্চারিত হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বাংলার বাঘ বাইবেলের কালো অক্ষরগুলো বাক্য খরায় বাগান বাগান দেখালে তুমি বাঘ বাজপাখি বাতাসে ভাসবে ঠিক বাদুড় বাদুড় বানের পানি চতুর্দিকে ব্যমনের দেশে বারবার ফিরে আসে বার্ধক্যে জসীমউদ্দীন বালুচরে বাসরের স্কুল বাস্তবিক লোকটাকে বাড়ি বাড়ি ফেরা বাড়িটা বিউটি বোর্ডিং বিকল্প বিকল্প ঘর বিচার বিচ্ছিন্ন বিচেজদ বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ বিষয়ক বিছানা বিতর্ক বিদায় গান বিদ্রোহী বলে শনাক্ত করে বিন্যাসের সপক্ষে বিপন্ন বিশ্বে নতুন সভ্যতার জন্যে বিপন্ন হয়ে যাই। বিপর্যন্ত গোলাপ বাগান বিপর্যয় এবং একজন কোকিল বিবেচনা বিরস গান বিশদ তদন্তসুত্রে বিষদ আমায় প্রতি বিষাদের ছায়া বিষাদের সঙ্গে সারাদিন সারারাত বিষ্টি পড়ে বিস্মিত দৃষ্টিতে বিস্মৃতির ডোবায় বিড়ম্বনা বুকের অসুখ বুকের মধ্যে বুগেনভেলিয়া বুঝলে হে জগন্নাথ বুদোয়ারে বুদ্ধদেব বসুর প্রতি বুদ্ধদেবের চিঠি বুদ্ধিমান বুড়িমা বুড়ো ঈগলের মতো? বৃক্ষ বৃত্তান্ত বৃষ্টি বৃষ্টি দিনে বৃষ্টির দিনে বেগানা এক নদী তীরে বেচাকেনা বেদেনীর জন্যে বেলা অবেলার তাঁর বাণী বেলা পড়ে আসে বেলাশেষে কখনও হয় কি সাধ বেলুন বৃত্তান্ত বেলুন বেলুন বেশ কিছুদুর এসে বেশি বাকি নেই বেহালাবাদকের জন্যে পটূক্তিমালা বোধ বোবা ওঝা ব্যক্তিগত রাজা ব্যক্তিগত হরতাল বাবধান বার্থ অভিশাপ ব্যাকুলতা বড় দীর্ঘ সময় বড় রাস্তায় বড়দিনের গাছ বয়স যতই হোক ভরদুপুরে ভরদুপুরেই অমাবস্যা ভরে নাও ঘড়া ভাঙাচোরা চাঁদ মুখ কালো করে ধুঁকছে ভাটিয়ালি সুর হয়ে বেজে ওঠে ভাবিনি এমন ভালো থাকা না থাকা ভালো থেকো, সুখে থেকো ভালো লাগে ভালোবাসা ভালোবাসা কারে কয় ভালোবাসা তুমি ভালোবাসার অর্থ ভাড়াটে ভায়োলেন্স ভিক্ষা নয় ভিন্ন কোনো স্মৃতি ভিন্ন জীবন উঠলো নেচে ভিন্ন ভূবনে ভিয়েতনাম ভীতিচিহ্নগুলি ভুলের ভিতরে ভূতের ভয়ে ভেলায় ভোট দেবো ভোরবেলা ঘুম ভাঙতেই ভোরবেলা চোখ মেলতেই ভোরের কাগজ ভ্রমণে আমরা ভ্রাতৃসংঘ ভ্রান্তিবিলাসে ভয় ভয় হয় মগের মুল্লুক না কি? মজার মানুষ মঞ্চের মাঝখানে মণিপুর লোকদুহিতা মধ্যজীবনের বৃত্তান্ত মধ্যবিত্তের পাঁচালি মধ্যমার প্রতি মধ্যরাতে করুণ সুর মধ্যরাতে ঘুম থেকে মধ্যরাতে ঘুম ভাঙলে মধ্যরাতে ঝুঁকে থাকে মনে মনে মনের মতো দাদু মন্তাজ মন্দ ভাগ্য নিয়ে কাটাই মরণ-বিরোধী পঙ্ক্তিমালা মরণোত্তর মরমী পুস্তক মরুভূমি-বিষয়ক পংক্তিমালা মরুর বালি মর্মমূল ছিঁড়ে যেতে চায় মর্মর প্রাসাদ শুধু মশারির ঘেরাটোপে মহররমি প্রহর, স্মৃতির পুরাণ মহাকাশে ধ্বনিত বাংলার জয়গান মহাপ্লাবনের পরেও মহুয়া আসছে মহুয়ার মন মহেঞ্জোদড়োর কণ্ঠস্বর মা তার ছেলের প্রতি মাইক মাইফেলে মায়ে মাঝি মাঝে মাঝে তাকে মাঝে মাঝে মাটিতে মাটির ঘ্রাণের ছোঁয়া মাতামহীর মধ্যাহ্ন মাতামহের মৃত্যু মাতাল মাতাল ঋত্বিক মাতৃডাক মাথায় ভাবনা নিয়ে মাদল মানব-মানবী মানবাবধিকার মানবিক আর্তনাদ মানবের ব্যাখ্যা মানুষ মানুষের মতো মাপকাঠি মাম মামার বাড়ি মাস্টারদার হাতঘড়ি মাৎস্যন্যায় মায়ের চোখে মিনতি মিলনের মুখ মিলমিল খেলা মিশ্ররাগ মুকুট মুখিয়ে রয়েছে মুখোশ মুছে যায় অপরূপ মেলা মুঠো মুঠো কুড়ায় আলো মুদ্রিত করেছি ভালবাসা মুর্গী ও গাজর মূল্যের উপমা মৃতাঞ্জলি মৃতের মুখের কাছে মৃতেরা মৃত্যু মৃত্যুদন্ড মৃত্যুর পরেও মৃন্ময় মে দিনের কবিতা মেঘ থেকে মেঘান্তরে মেঘদূত মেঘনা নদীর তীরে মেঘে মেঘে মেঘের ডুলি মেঘের নীল ইজিচেয়ারে মেটামরফসিস মেধার কিরণে স্নান করে মেরীর পুর মেষতন্ত্র মোমবাতি মোল্লাগুলো মৌমাছিদের পাড়া ম্যাগাজিনে আমার স্ত্রীর সাক্ষাৎকার প'ড়ে ম্যাজিক ম্যাজিক লণ্ঠন ম্লান হয়ে যাই মৎসসমাজের কথা ময়নামতীর মূর্তিগণ ময়লা গলি ময়ুরগুলো যখন আবহাওয়া খারাপ যখন আমার কাছ থেকে যখন কখনো চণ্ডীদাস যখন ঘুমিয়ে ছিলাম যখন ছিলে না তুমি যখন তোমার কণ্ঠস্বর যখন তোমার কথা ভাবি যযন নিঃসঙ্গ থাকি যখন পেছনে ফিরে যখন প্রকৃত কবি যখন রবীন্দ্রনাথ যখন শিল্পও হার মানে যখন শুধাও তুমি যখন সে লেখে যতদূর যেতে হয় যাব যদি যদি আরো কিছুকাল যদি ইচ্ছে হয় যদি কাসান্দ্রার মতো কেউ যদি তুমি যদি তুমি ফিরে না আসো যদি তুমি মন থেকে যদি পঙ্ক্তিমালা করে আলিঙ্গন যদি বদলে দেয়া যেতো যদি সে-পাখি বলে যেত যদিও লোকটা অসুস্থ যন্ত্রণা যমজ আলো যা রাজাকার যাওয়া যায় যাচিং প্রতিদিন যাত্রা যাত্রা থামাবো না যাদুকাঠি যাবার ভাবনা যার যার কাছে যায়নি কোথাও যিনি নম্বর ভালবাসতেন যুদ্ধ সংবাদ যুদ্ধজয়ের কথা যুবক ও যুবতীর নিজস্ব ঋতু যে অদৃশ্য চাঁদ যে অন্ধ সুন্দরী কাঁদে যে আমার সহচর যে এলো তোমার কাছে যে কেউ ডাক দিক যে খেলা আমার সঙ্গে যে গেলো নগ্ন পায়ে যে ছায়া আয়নায় যে-কথা বলেনি কেউ যে-কোনো দোকানে যে-কোনো সকালে যে-তুমি আমার স্বপ্ন যে-পথে আমার পদধ্বনি যেখানে পূর্ণিমা-চাঁদ চুমো খাবে যেখানেই হাত রাখি যেতে যেতে বড় ক্লান্ত যেন অফিছুস যেসব কবিতা আমি রংবনুর সাঁকো রক্ত খেকোদের সামনে রক্তগোলাপের মতো প্রস্ফুটিত রক্তরাঙা স্বাধীনতা রক্তসেচ রক্তে কখন রক্ষাকবচ রঙ রঙিন টালি ইত্যাদি রঙিন নিশ্বাসের জন্যে রজনীগন্ধার ঘ্রাণ রঞ্জিতাকে মনে রেখে রবীন্দ্রনাথ সমীপে খোলা চিঠি রবীন্দ্রনাথের জন্যে রবীন্দ্রনাথের প্রতি রাকার ভাবনা রাজকাহিনী রাজনীতি রাজহংসী রাজা রাত আড়াইটার পর্তুক্তিমালা রাতদুপুরে রাতের তৃতীয় প্রহরে রাত্রির তৃতীয় যামে রাহুগ্রাস রুক্ষ বুভুক্ষায়। রুটিন রুপালি স্নান রুস্তমের স্বগতোক্তি রূপকথা রূপান্তর রেডক্রসের গাড়ি এবং তুমি রেনেসাঁস রোগশয্যা থেকে রোদ আর জ্যোৎস্নাধারা কাঁদে রোমকূপ কেঁদে ওঠে রৌদ্র করোটিতে রৌদ্র লেখে জয় রৌদ্রলোকে, নক্ষত্রের বিপুল জোয়ারে রৌদ্রে নিয়ে যাও লঙ্কা যেলে লাল কমলের সঙ্গী লালনের গান লালনের টানে লেখার কাগজ লেনদেন লেয়ার্টেস লোকগুলোর কী হয়েছে লোকটা বুড়োই বটে লোকটার কাহিনী লোকটার হাসি লোকে তার কথা বলে লড়ছি সবাই শকুন ও কোকিলের কাহিনী শকুন্তলা শক্ত শঙ্খচূড় শনাক্ত পত্র শবাহারী কীটের কোরাস শব্দ শব্দচেতনা শব্দশর শব্দের কাছেও শব্দের সংস্রবে কতকাল শমীবৃক্ষ শয্যায় শহরে নেমেছে সন্ধ্যা শহীদ মিনারকে ওরা গ্রেপ্তার করেছে শহীদবাগ শহুরে এক ছোট্ট ছেলে শহুরে জ্যোৎস্নায় শহুরে বাউল হাঁটে। শাস্তি কি হরিণ শান্তি পাই শান্তিনিকেতনে গৌরী শান্তির এলাকা শাপলা-শালুক শারদ বিকেলে, রাত্তিরে শাশ্বতীর আঁচল শাহ এম এস কিবরিয়ার মৃত্যু নেই শাহরিয়ার কবিরের জন্যে পঙ্ক্তিমালা শিকি জ্যোৎস্নার আলো শিখা শিবির শিরোনামহীন শিল্পের অপচয় শিশুর মেলা শীতরাত্রির সংলাপ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাথা শুচি হয় শুদ্ধ হতে চাই শুধু একটি ভাবনা শুধু গৌরী নিজে শুধু চাই স্পর্শ সাধনার শুধু দেখি শুধু প্রশ্নে বিন্ধ আমি শুনি অপরাছে শুভবাদী রোদ চুমো খেয়েছিলো শুভেচ্ছান্তে শুষে নেয় পোড়া মাটি শেফার্স শেবার দ্বীপ শেষ ডেয়ারের গদি ছেড়ে শেষে যা-ই হোক শৈশবের বাতি-অলা আমাকে শোনো হে শ্বাস-প্রশ্নশ্বাস শ্বাসকষ্ট শ্যামলীর গালিব শ্রাবণের বিদ্যুতের মতো। শ্রোতা শ্লোগান সংকটে কবির সভা সংবর্ধনা সংবাদপত্রে কোনো একটি ছবি দেখে সকল প্রশংসা তাঁর সকলেই গ্যাছে সকাল থেকে সন্ধ্যা সকালবেলা চেয়ে দেখি সক্রেটিস ১ সক্রেটিস ২ সঞ্জয় কোথায়? সত্তা তাঁর সুর হয়ে যাচেজ ভেসে সত্যি, কোথাও যাওয়ার নেই সত্যি বলতে সনেটের শতদল সন্ত্রাসে বড় জর্জরিত সন্দেহপ্রবণ নই। সন্ধ্যা সন্ধ্যা হলে সন্ধ্যাভাষা সন্ধ্যার খালুই থেকে সপ্তাহ সফেদ পাঞ্জাবি সবাই বোঝে না, কেউ কেউ বোঝে সবাই সবার জন্য সবার মনেই খেলাঘর সভ্যতার কাছে এই সওয়াল আমার সমরেশদার জন্যে শোকগাথা সমাধিফলক ছুঁয়ে সমান্তরাল সম্পত্তি সম্পর্ক সম্পর্কে গ্রহণ দেখে সম্পাদক সমীপেষু সময় সময় ফুরায় যত সময়ের লালা সরোবর সর্বত্র মানুষ সহজে আসে না কেউ সহজে ফোটাতে গিয়ে সহসা যীশুর হাত সাঁকো সাইক্লোন সাক্ষাৎকার, মধ্যরাতে সাক্ষী সাধ সাধ হয় সাধারণ বাড়ি সান্ধ্য আইন সাবান সামনে পা বাড়াবার পালা সামান্যই পুঁজি সাম্প্রতিক এক নৈশ অভিজ্ঞতা সারস সারা জীবনই গোধুলির-আকাশ সায়োনারারা সুচেতা তখন সুদুরের অনন্য প্রবাসী সুধাংশু যাবে না সুস্পরের গাথা সুপ্রভাত সুপ্রাচীন পাণ্ডুলিপি সুফীরা বলেন সুযোগই দেবো না সুর ফুটেছে। সুরের আড়ালে সুহৃদের প্রতি সূর্যাবর্ত সূর্যি মামা গেল এখন সে সে এক মাটির ঘর সে একলা হাঁটে সে কবে আমার ঘরে সে করে সোনালি দিন সে কোন সুদূরে সে তার নিজেরই বাসা সে লিখবে বলে সে-রাতে আমার ঘরে সে-রাতে নতুন কারে সেই একই দোষ সেই কখন থেকে খুঁজেছি সেই কণ্ঠস্বর সেই কবে থেকে সেই কবেকার ঋণ সেই গাছ সেই ঘোড়াটা সেই চিঠি সেই ছেলেটা সেই পাখিটা সেই ভয়ঙ্কর মূর্তি সেই যে কখন থেকে সেই যে যিনি সেই সুর সেই হাত সেতুবন্ধ সোনার তরী সোনালি পাখি, নীলিমা এবং একজন সৌন্দর্যের গহনে ডুবুরী সৌন্দর্যের গুণ গেয়ে সৌন্দর্যের স্পর্ধা নিয়ে স্কুটার ড্রাইভার স্টেজে স্থগিত বাসনা স্থানান্তর স্থানীয় সংবাদ স্বগত ভাষণ স্বপ্ন অভিভাবকের মতো স্বপ্ন আমার স্বপ্ন গুঁজে দেয় স্বপ্ন জাগরণের সীমানায় স্বপ্ন-কুড়ানি স্বপ্নগুলো অবিন্যস্ত টেবিলে বপ্নচারিতায় স্বপ্নজীবী স্বপ্নহীনতায় বপ্নাচ্ছন্ন মানুষের মতো স্বপ্নে আমার মনে হলো স্বপ্নে ঘুণ ধরে গেছে। স্বপ্নের জেনো স্বপ্নের নাম শ্রীমতী স্বপ্নের ভিতরে বাল্যশিক্ষা ওড়ে স্বপ্নের স্বায়ত্তশাসন স্বর্গে গেলাম দর্শক হিসেবে স্বর্গের বর্ণিল স্মৃতি স্বল্পভাষী স্বাগত জানাবে স্বাতন্ত্রা স্বাধীনতা একটি বিদ্রোহী কবিতার মতো স্বাধীনতা তুমি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছানির্বাসিত স্মৃতি স্মৃতিতে ধারণযোগ্য কিছু নয় স্মৃতিভ্রংশ স্মৃতিময় উজ্জ্বল আঁধারে স্মৃতির ভেতরে স্যানাটোরিয়াম স্যামসন হঠাৎ করে মাঝে মধ্যে হতাশার ঘরে হরতাল হরিণী-কবিতা হরিণের খাড় হরিনাথ সরকার বলছেন হাঁটছি হাঁটছি হাই মিস্টার রাহমান হাঘরে হাত হাতা হাতা হাতির গুঁড় হাতেম তাই কিংবা শের আফগান হাসপাতালের রেড থেকে হাসে ক্রুর হাসি হায়, এ কেমন জায়গায় হীরা কি স্বর্ণ নেই হুতুম ভুতুম হৃদয় হৃদয় কপিলাবস্তু হৃদয় তোমার অপরাধ হৃদয় নিঃসঙ্গ চিল হৃদয়ের গল্প হৃদয়ের চোখে জলধারা দেখে যে আমার বাজারের থলে হে আমার বালাকাল হে আমার বালাবন্ধুগণ হে পাখি, শহুরে পাখি হে প্রিয় কল্পনালতা হে বঙ্গ হে শহর, হে অন্তরঙ্গ আমার হে সুদীপ্তা মোহিনী আমার হেঁটে যাই হেঁটে হেঁটে বেশ কিছুদূর এসে হেড আর টেল হোমারের স্বপ্নময় হাত হ্যাঁ গৌরী, তোমাকেই হ্যাঙওভার হয়তো ভালোবাসা ১৩৫৭-র একটি দিন ১৪০০ সালের সূচনায় ৩১৩, তুমি ফিরে এসো
হোম খুঁজুন
নোটিশ প্রোফাইল