Mahadev Saha

Poet

মহাদেব সাহা (Mahadev Saha) (জন্ম: ৫ আগস্ট ১৯৪৪) বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার জগতে এক বিশিষ্ট নাম, যিনি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে স্বীকৃত। সিরাজগঞ্জ জেলার ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী এই কবি বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন বগুড়া ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতা করেছেন দীর্ঘকাল, বিশেষত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা উল্লেখযোগ্য। তাঁর কবিতায় ঘনীভূত আবেগ, প্রেম, বিচ্ছিন্নতা, একাকিত্ব এবং অস্তিত্বের তীব্র চেতনা উঠে এসেছে স্বতন্ত্র রোম্যান্টিক ভঙ্গিতে। 'এই গৃহ এই সন্ন্যাস', 'চাই বিষ, অমরতা' সহ অগণিত কবিতা ও গ্রন্থ তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে। তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৩), একুশে পদক (২০০১) এবং স্বাধীনতা পুরস্কার (২০২১) সহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন। প্রবাসী হয়েও তিনি সাহিত্যচর্চা অব্যাহত রেখেছেন, এবং তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ইতোমধ্যে নব্বই পেরিয়েছে, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের ব্যাপকতাকে প্রকাশ করে। (উৎস: উইকিপিডিয়া)

আরও পড়ুন
অন্তরলি অপেক্ষা অসুস্থতা আমার নির্জন শিল্প আমাকে কি ফেলে যেতে হবে আমার প্রেমিকা আমার সজল চোখ বুঝলে না আমার সবুজ গ্রাম আমার সমুদ্র দেখা, আমার পাহাড় দেখা আমার সোনার বাংলা আমার হাতে দুঃখ পায়েযা আমি কি বলতে পেরেছিলাম আমি কেউ নই আমি কেন এ-রকম আমি ছিন্নভিন্ন আমি যখন বলি ভালোবাসি আমিও তো অটোগ্রাফ চাই আমূল বদলে দাও আমার জীবন আর কোনোদিন আর কোনোদিন হইনি এমন মর্মাহত আলিঙ্গন ইচচ্ছা এ জীবন আমার নয় এই কবিতার জন্যে এই জীবন এই শীতে আমি হই তোমার উদ্ভিদ এক কোটি বছর তোমাকে দেখি না একটা কোনো সুসংবাদ চাই। একবার ভালোবেসে দেখো একা হয়ে যাও একুশের কবিতা একেক সময় মানুষ এতো অসহায় একেবারে ডুবে যেতে চাই। কতো নতজানু হবো, দাঁতে ছোঁবো মাটি কবি ও কৃষ্ণচূড়া কবিতা বাঁচে ভালোবাসায় কবিত্ব কবির কী চাওয়ার আছে কাছে আসো, সম্মুখে দাঁড়াও কাফফার বিমর্ষ পৃথিবী কিছুদিন শোকে ছিলাম, মোহে ছিলাম কে চায় তোমাকে পেলে কেউ কেউ কোথাও পাই না দেখা কোথাও যাওয়ার তাড়া নেই কোনো তরুণ প্রেমিকের প্রতি কোনো ফুলের বাগান নেই কোনো বাস নেয় না আমাকে গোলাপ, তোমার মর্ম গোলাপের বংশে জন্ম চাই না কোথাও যেতে চিঠি দিও চিরকুট হুস্পরীতি জীবনের পাঠ টুঙ্গিপাড়া তাই মিথ্যা বলা তাকেই বলি প্রকৃতি তার বুকে আছে তিনি এক স্বপ্নচারী লোক তুমি তোমরা কেমন আছো তোমাকে ছাড়া তোমাকে দেখার পর থেকে তোমাকে ভুলতে চেয়ে তোমাকে যাইনি ছেড়ে তোমাকে লিখবো বলে তোমার দূরত্ব তোমার প্রেমিক তোমার বর্ণনা তোমার সলজ্জ টেলিফোন তোমার হাতের জল দেখতে চাই নববর্ষের চিঠি না-লেখা কবিতাগুলি নারীর মুখের যোগা শোভা নেই নীতিশিক্ষন পা কাঁপে আমি দ্বিধাগ্রস্ত প্রেমের কবিতা ফুটেছে ফুল, বিরহী তবু চাঁদ ফুল কই, শুধু অল্পের উল্লাস বদলবাড়ি চেনা যায় না বন্ধুর জন্য বিজ্ঞাপন বর্ষার কবিতা, প্রেমের কবিতা বাউল বহুদিন ভালোবাসাহীন বেঁচে আছি স্বপ্নমানুষ বেশিদিন থাকবো না আর বৈশাখে নিজৰ সংবাদ বড়ো সুসময় কখনো পাবো না ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই ভালোবাসা ভালোবাসা আমি তোমার জন্য ভালোবাসা মরে গেছে ভুলে-ভরা আমার জীবন মন্ত্রজীবন মন ভালো নেই মনে পড়ে মাটি দে, মমতা দে মানবিক বৃক্ষ মানুষ মানুষ সহজে ভুলে যায় মানুষের বুকে এতো দীর্ঘশ্বাস মানুষের মধ্যে কিছু অভিমান থাকে মানুষের সাথে থাকো মুখের বদলে কোনো মুখোশ রাখবো না মেঘের নদী যাও সঙ্গমে সৎকারে, প্রেমে যেতে যেতে অরণ্যকে বলি রবীন্দ্রোত্তর আমরা কজন যুবা লেলিন, এইনাম উচ্চারিত হলে শস্যযাত্রা শীতের সেবায় তবে সেরে উঠি শুদ্ধ করো আমার জীবন শুধু এই কবিতার খাতা সব তো আমারই স্বপ্ন সবাই মেলায় যায় সামান্য জল সেসব কিছুই আর মনে নেই স্পর্শ স্বভাব স্বাধীন প্যালেস্টাইন স্মৃতি হৃদয়বোধ্য
হোম খুঁজুন
নোটিশ প্রোফাইল