Nirmalendu Goon

Poet

নির্মলেন্দু গুণের (Nirmalendu Goon) পুরো নাম নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী। ১৯৪৫ সালের ২১শে জুন (৭ই আষাঢ় ১৩৫২ বঙ্গাব্দ) তিনি নেত্রকোনার বারহাট্টায় জন্মগ্রহণ করেন। আধুনিক কবি হিসাবে খ্যাতিমান হলেও কবিতার পাশাপাশি চিত্রশিল্প, গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীতেও তিনি স্বকীয় অবদান রেখেছেন। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ "প্রেমাংশুর রক্ত চাই" প্রকাশিত হবার পর থেকেই তিনি তীব্র জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর কবিতায় প্রেম ও নারীর পাশাপাশি স্বৈরাচার বিরোধিতা ও শ্রেণীসংগ্রামের বার্তা ওঠে এসেছে বার বার। তাঁর বহুল আবৃত্ত কবিতা সমূহের মধ্যে হুলিয়া, মানুষ, আফ্রিকার প্রেমের কবিতা, একটি অসমাপ্ত কবিতা, ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। শিক্ষাজীবন চারুবালার কাছেই লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয় তার। প্রথমে বারহাট্টার করোনেশন কৃষ্ণপ্রসাদ ইন্সটিটিউটে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন তিনি। ১৯৬২ সালে করোনেশন কৃষ্ণপ্রসাদ ইন্সটিটিউট অর্থাৎ বারহাট্টা সি. কে. পি. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে দুই বিষয়ে লেটারসহ মেট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পান৷ মেট্রিক পরীক্ষার আগেই নেত্রকোণা থেকে প্রকাশিত ‘উত্তর আকাশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণের প্রথম কবিতা ‘নতুন কান্ডারী’৷ মেট্রিকের পর আই.এস.সি পড়তে চলে আসেন ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে৷ মেট্রিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টের সুবাদে পাওয়া রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপসহ পড়তে থাকেন এখানে৷ ১৯৬৪ সালের আই.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের ১১৯ জন প্রথম বিভাগ অর্জনকারীর মাঝে তিনি ছিলেন একমাত্র নেত্রকোণা কলেজের৷ পরবর্তীকালে বাবা চাইতেন ডাক্তারী পড়া৷ কিন্তু না, তিনি চান্স পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগে৷ ভর্তির প্রস্তুতি নেন নির্মলেন্দু গুণ৷ হঠাত্‍ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা শুরু হয় ঢাকায়৷ দাঙ্গার কারণে তিনি ফিরে আসেন গ্রামে৷ ঢাকার অবস্থার উন্নতি হলে ফিরে গিয়ে দেখেন তার নাম ভর্তি লিষ্ট থেকে লাল কালি দিয়ে কেটে দেওয়া৷ এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পেরে ফিরে আসেন গ্রামে৷ আই.এস.সি-তে ভালো রেজাল্ট করায় তিনি ফার্স্ট গ্রেড স্কলারশিপ পেয়েছিলেন৷ মাসে ৪৫ টাকা, বছর শেষে আরও ২৫০ টাকা৷ তখনকার দিনে অনেক টাকা৷ ১৯৬৯ সালে প্রাইভেটে বি.এ. পাশ করেন তিনি (যদিও বি.এ. সার্টিফিকেটটি তিনি তোলেননি)। ১৯৬৫ সালে আবার বুয়েটে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে তিনি নীরা গুণের সঙ্গে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এ দাম্পত্য জীবন সফল হয়নি। তাদের একটি মাত্র সন্তানের নাম মৃত্তিকা গুণ। (উৎস: উইকিপিডিয়া)

আরও পড়ুন
অক্সি-এসিটিলিনের শিখা অগ্নিতে যার আপত্তি নেই অনন্ত বরফবীথি অশোক গাছের নিচে অসভ্য শয়ন অসমাপ্ত কবিতা আকাশ আকাশ ও মানুষ আকাশ সিরিজ আক্রোশ আগস্ট শোকের মাস, কাঁদো আগ্নেয়াস্ত্র আত্মকেন্দ্রিক স্বপ্ন আনন্দকুসুম আবার একটা ফুঁ দিয়ে দাও আবার যখনই দেখা হবে আমার কিছু স্বপ্ন ছিল আমার জন্ম আমার জলেই টলমল করে আঁখি আমার বসন্ত আমার সংসার আমি আজ কারো রক্ত চাইতে আসিনি আমি হয়তো মানুষ নই আসমানী প্রেম ইনসমনিয়া ইয়াহিয়াকাল ০১ ইয়াহিয়াকাল ০২ উন্নত হাত উপেক্ষা উল্লেখযোগ্য স্মৃতি এক-একটি মানুষ একটি খোলা কবিতা এখন তোমার বোধনবেলা এবারই প্রথম তুমি ঐ সব অর্বাচীন বারণাসমূহ ওটা কিছু নয় কংক্রিটের কোটিল কবিতা কেন টিকে থাকবে কলম কসাই কাক কাল সে আসিবে কাশফুলের কাব্য কৃতজ্ঞতা গতকাল বড়ো ছেলেবেলা ছিল চির অনাবৃতা হে নগ্নতমা চুক্তি জনাকীর্ণ মাঠে জিন্দবাদ জনাকীর্ণ মাঠে জিন্দাবাদ। জলের সংসার জানে মৌন মহাকাল জালনোট তুমি চলে যাচ্ছো তুলনামূলক হাত তোমার চোখ এতো লাল কেন তোমার পায়ের নিচে পৃথিবীর ঘাস আছে দাসবংশ দুঃখ করো না বাঁচো দুজনের ভাত দৃশ্যে-গন্ধে-রক্তে-স্পর্শে-গানে নখের বকুল নাম দিয়েছি ভালবাসা নাস্তিক নিজস্ব প্রতিকৃতি নির্জন হীরা জ্বাললে পাথরের সাপ পাড়ি পুনশ্চ ক্যামেলিয়া পূর্ণিমার মধ্যে মৃত্যু পৃথিবী পৌত্তলিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রথম অতিথি প্রলেতারিয়েত প্রশ্নাবলী প্রেমাংশুর রক্ত চাই। ফুলদানি বউ বসন্ত বন্দনা বসন্তচিত্র বহুগামীর স্বীকারোক্তি বাংলাবাজারে পুর্ণিমা বাৎস্যায়ন ০৬ বাৎস্যায়ন ০৮ ভালোবাসা, ভারসাম্যহীন ভালোবাসার জন্য ছুটি ভালোবাসার টাকা ভালোবাসার পুরোনো বর্গায় ভয় ভয় পাওয়ার দায় ভয়ে ভয়ে মনের পৃথিবী নিয়ে মানুষ মানুষের হৃদয়ে ফুটেছি মিউনিসিপ্যালিটির ট্রাক মুজিব মানে মুক্তি মুঠোফোনের কাব্য ৩০১ মুঠোফোনের কাবা ০০২ মুঠোফোনের কারা ০০৩ মোনালিসা যতটুকু প্রেমে যাত্রাভঙ্গ যানবাহন নেই যুদ্ধ যুদ্ধ রবীন্দ্র-সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথের বাঁশি রাজদণ্ড লজ্জা শিয়রে বাংলাদেশ শুধু তোমার জন্য শোকগাথা: ১৬ আগস্ট ১৯৭৫ শ্রমিক ও ঈশ্বর সবুজ কাক সূর্য আমাকে চুম্বন করেছে সে যেন আমার চেয়ে বেশিদিন বাঁচে সেই প্রজাপতি সেই রাত্রির কল্পকাহিনী স্বদেশের মুখ শেফালি পাতায় বা প্রচ্ছদের জন্য স্বপ্ন নব-ভৌগোলিক শিখা স্ববিরোধী স্বাধীনতা উলঙ্গ কিশোর স্বাধীনতা এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো হাসানের জন্যে এলিজি হিমাংশুর স্ত্রীকে হুলিয়া
হোম খুঁজুন
নোটিশ প্রোফাইল