Shakti Chattopadhyay

Poet

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের (Shakti Chattopadhyay) জন্ম ১৯৩৩ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বহড়ু গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে। মাত্র চার বছর বয়সে পিতৃহারা হয়ে দাদামশায়ের কাছে বড় হন। গ্রামে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। তিনি ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং সিটি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এক শিক্ষকের মাধ্যমে মার্ক্সবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কলেজে পড়াকালীন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে বাংলায় অনার্সে ভর্তি হয়েও পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে কলেজ ত্যাগ করেন। এরপর বুদ্ধদেব বসুর তাগাদায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্যে ভর্তি হয়েও কোর্স শেষ করেননি। তিনি কর্মজীবনে নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন। কিছুদিন ব্যবসা করার চেষ্টাও করেছেন। ‘ক্লারিয়ন’ বিজ্ঞাপন কোম্পানির কপিরাইটার হিসেবে ‘ভারবি’ প্রকাশনায় কাজ করে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি করেছেন। জীবনের শেষ দিকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি অধ্যাপক ছিলেন। শক্তি চট্টোপাধ্যায় কবি হিসেবে খ্যাতিমান হলেও একাধারে তিনি কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক ছিলেন। সাহিত্যজগতে তিনি আবির্ভূত হয়েছিলেন ‘কুয়োতলা’ নামের উপন্যাস দিয়ে। ১৯৫৬ সালের মার্চে তাঁর প্রথম ‘যম’ কবিতা সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাব’ প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। এই কাব্যগ্রন্থ ইংরেজি ও মৈথিলি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন। আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে কেউ কেউ তাঁকে জীবনানন্দ দাশের শেষ উত্তরসূরি হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন। যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলনের জনক মনে করা হয়, তাঁদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় একজন ছিলেন। একসময় তিনি এই আন্দোলন থেকে সরে গিয়ে ‘কৃত্তিবাস’ গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৯৫ সালের ২৩ মার্চ কলকাতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন। (উৎস: উইকিপিডিয়া)

আরও পড়ুন
অগ্নিশিখা রক্তাক্তহৃদয় অঙ্গুরী তোর, হিরণ্য জল অজিতেশ অতিজীবিত অথ নয়ন-কুসুম কথা অধর্ম অধিক বৃষ্টিপাতের যবর অনন্ত কুয়ার জলে চাঁদ পড়ে আছে অনুপস্থিত আত্মা অন্তত বেদনা থেকে বড়ো অন্তরে যার গেরস্থালি অন্ধ আতুর অন্ধ আমি অন্তরে বাহিরে অন্ধকার গরিলার মতো। অন্ধকার দেয় তারো বেশি অন্ধকারের বন্ধনে অন্যময়ের স্মৃতি অবনী বাড়ি আছো অবসর নেই- তাই তোমাদের কাছে যেতে পারি না অবসর নেই-ভাই তোমাদের কাছে যেতে পারি না অবিশ্বাস্য অব্যর্থ শিউলির গন্ধে অমিতদার জন্যে অর্বাচীন নায়িকা অসচরাচর আকাশে চিককুর দিচ্ছে আকাশে যখন আকাশে-বাতাসে আজ আমি আজ কালের পার্থক্য আজ সকলই কিংবদন্তি আজো আমি আজ-কালের গপপো আঞ্চলিক প্রেম তার পথঘাট আতাচোরা আত্মচিত্র আন্দ ভৈরবী আনুষ্ঠানিকভাবে অমলকে আক্রমণ আপন ছবি আপন মনে আবার সেই আমরা কোথায় এখন আমরা সকলেই আমাকে আর এ্যালকোহলিক আমাকে পোড়াও আমাকে সেই সঙ্গে আমাদের নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন ছিলো আমাদের সম্পর্ক আমায়, পথ থেকে পথে আমার অসুখ আমার খবর আমার ছায়া আমায় আমার দরকার আমার দ্বিধা আমার বুকের ভিতর আমার মধ্যে এক যাদুকর আমারও চেতনা চায় আমি আমি এই সংকল্প নিয়েছি। আমি একা, বড়ো একা আমি কেবলই বাতাপি আমি চাই আমি দাঁড়িয়ে আছি আমি দিনে দিনে আমি দেখি আমি ফিরে পাই আমি ভাঙায় গড়া মানুষ আমি যাই আমি সন্ন্যাস নিয়েছি কৌতূহলে আমি সুধী আমি স্বেচ্ছাচারি আমিই তোমাকে বসতে শিখিয়েছি আলো জ্বলতে পারলে আলেখা আলোকসমস্যা আশ্চর্য নতুনভাবে দেখা হয়েছিলো আশ্চর্য সময় এই আসতে পারে আসলে ঐ হাতটি তোমার ইচ্ছে করে ইসাবেলা ইস্টুপিও ঈশ্বরীসমা উঠে যাই, দেখে আসি উত্তর নেই উত্তরবঙ্গের রঙ্গভূমে উপদ্রুত ঘাসের ভিতরে উুরু ঋত্বিক, তোমার জন্য এই অগ্নিগর্ভ প্রেম এই খেলাটি একলা আমার এই বয়েসে এই বসন্তে বৃষ্টি হবে এই বাংলাদেশ ছেড়ে এই বিদেশে এই মেঘ থেকে বৃষ্টি এইটুকু তো জীবন এইভাবে এক অসুখে দুজন অন্ধ এক দেশে সে মানুষ এক পাত্র সুধা দাও এক হতচ্ছাড়া যুদ্ধ চাই একটানা এক জীবন একটানা একজীবনে একটি আসন যত্নে আমি একটি কবিতা খুঁজে একটি কবিতা ছিলো একটি কবিতা যেন একটি তাঁবুর মাঝে একটি দুটি ঝিনুক আছে একটি পরমাদ একটি মানুষ একটি সমাজ একটু থমকে দাঁড়ানো একবার তুমি একলা আমি একা একা আমার কলকাতা একা গেলো একা থাকি একাকী পুড়ো না একাত্ম একেকটি দিন আসে এখন আমার কোনো অভিমান নেই এখন উঠে দাঁড়াও এখন, ছুটির দিনে এখনো মানুষই পারে মানুষের শত্রুকে হারাতে এখনি মূর্ছিত হই মুখ ধ'রে এখনো তোমার নাম এখনো নিঃসঙ্গ কেন? এখানে কবিতা পেলে গাছে-গাছে কবিতা টাঙাবো এখানে জন্মের এখানে নিঃশব্দ তুমি এখানে সেই স্থবিরতা এদেশ যাবো না ছেড়ে এপিটাফ এবার আমি ফিরি এবার আসি এবার হয়েছে সন্ধ্যা এমনভাবে কেউ ডাকে না এলিজি ৩ এলিজি ও এসো কবি উন্নত মাথায় ঐ সমস্ত নদী ও গাছ আমাকে নাও ও চিরপ্রণম্য অগ্নি ওদিকে যেও না তুমি আর ওরা মানুষের থেকে বড়ো হয়ে আছে কক্সবাজারে সন্ধ্যা কখনো বুকের মাঝে ওঠে গ্রীস কঠিন অনুভব কত বড়োভাবে আমি কবি ও দেবতা-পীর কবিতা কলকাতা খেলাঘরে কবিতা লেখার ক্লান্তি কবিতার কাছে কবিতার সত্যে কলকাতায়, ভোরে কল্যাণীয়া কষ্ট হয় কাটা-ছেঁড়া, বালুতে পায়ের দাগ কাটে দিন, দেয়ালে ঢুকিয়ে সিঁধ কান পেতে আছি কারনেশন কাল রাতে জাগিয়ে রেখেছিলো আমায় পুরানো চাঁদ কি সেই সম্পদ, সুখ? কিছু মায়া রয়ে গেলো কিছুদিন স্মরণীয় কিশোরবেলার ঘুম কিসের জন্যে কীভাবে হৃদয় দেখবো কুয়াশায় কৃষ্ণচূড়া থাক কে আর তেমন ভালোবাসে? কেউ কি যাবে কেউ নও কেন নেবে। কেন? কেবল মানুষই পারে কোন পথে কোনোদিনই পাবে না আমাকে- কোম্পানির আমল থেকে ক্ষ-এর মহড়া খুঁটিমারি বনবাংলোয় খেলনা খৈরী, আমার খৈরী : একটি এলেজি গাছ কথা বলে গাছের নিজস্ব ফুল নয় ঘট থেকে জল পড়ে ঘুমন্ত পরীর দাগ ঘুরে বেড়ায়, শুধু ঘুরতেই ভালোবাসে চঞ্চল পাখায় পড়ে চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১২ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৮ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২১ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-২৮ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৩২ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৩৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৩৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৩৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৩৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪১ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪২ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৪৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫২ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫৮ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৫৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৮ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৬৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৮ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৭৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৮২ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৮৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৮৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৮৭ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৮৯ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯০ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯১ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯৩ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯৪ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯৫ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-৯৬ চতুর্দশপদী কবিতাবলী-১০০ চলে গেলো চলে যায় চলো দেখে আসি চলো যাই তার কাছে চাঁদ মুক্তি পেলো? চাঞ্চল্য, তোমাকে আমি চাবি চিঠি লিখি চিত্রশিল্প অনন্তকাল চিরহরিৎ চেনা পাথরের জন্যে চেয়ে থাকো ছায়ামারীচের বনে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন ছিন্নবিচ্ছিন্ন-১ ছিন্নবিচ্ছিন্ন-২ ছিলাম গরঠিকানা ছুঁয়ে যাচ্ছে ছুটি ছুটি একান্তই ছুটি ছেলেটা ছড়ার আমি ছড়ার তুমি ছড়িয়ে রইলে জঙ্গলে, অন্ধকারে জঙ্গলের মধ্যে ঘর ঈশ্বর গড়েন জন্ম এবং পুরুষ জন্ম কোনো মৃত্যুকেই জন্মদিনে জরাসন্ধ জল পড়ে জলের উপর জানিনা কে সাংকেতিক বেশি জানিনা কোথায় শব্দ জামা কতদিনে ছেঁড়ে জীবনের কোলে বসে মরণের এই অবসাদ জুলেখা ভবু সন ঝরাপালক ঝর্না টবের ফুলগুলোকে দাও টিলার উপর সেই বাড়িটির কথা ডোঙ্গরপুরের বাংলোয় সন্ধ্যা তবুও কি রাখা যায়? তবে চলো ভাঁটিখানায় যাই তরণী এবং যাত্রী চলেছে তরুণ শিল্প তার ডালপালা আমার চৈতন্যে তার মৃত্যু। নবেন্দুর স্মৃতি তোমাকে আমার কাছে তোমার জামা তিন পাহাড়ের কোলে তিনি এখন গৃহস্থ তির্যক তীক্ষ্ণ তরবারি তুচ্ছ, তুচ্ছ এইসব তুমি আছো-ভিতরে উপরে আছে দেয়াল তুমি একা থাকো তুমি জানো তুমি যেন ধর্ম তুমি শুধু নহো তোমারি আপন। তোমাকে আমার তোমাকেই মনে পড়ে তোমার উজ্জ্বল ঘাড়ে হাত রেখে তোমার কথাই শুধু তোমার জীবন নিতে তোমার দ্যোতণা আছে-আমি উপদ্রব তোমার পথ কি আমার পথেই পড়ে? তোমার পেছনের কুকুর তোমার সন্তান আমি দিয়ে যাব তোমার হাত তোমায় আমি অল্প একটু ভাবাতে চাই তোমায় আমি ভোগ করেছি দক্ষিণে ভাকালে অন্ধ দশবছর আগে-পরে দশমী ও বিসর্জনে দাঁড়াও দাও. কিছু দিয়ে যাও দারুণ দংশন দিন যায় দিনরাত দীর্ঘদিন পরে তার করস্পর্শ দুঃখ দুঃখ কি সহজে যায় দুঃখকে তোমার দুঃখী গাছ, পাতাশূন্য গাছ দুঃখের অগ্নির মধ্যে দুঃখের অআঁধার রাতে দুঃখের বাগানখানি দুঃখের সমুদ্র দুঃসময়ে তোমায় আমি দুঃসময়ে দূরে দুই চড়ুই দুই পাহারাঅলা দুই বাংলাই রইলো না কাছাকাছি দুজন স্বামী স্ত্রী, তন্ময় ঝিল দুজনে নিই এক জীবনের সন্নিহিতি দুজনের কেউ দুটি হাতের স্পর্শ দিয়ে দুদিন পরে দূর থেকে দেখা দেখতে হবে গোলাপ দেখা হলে বজ্রপাত। দেখেছিলাম দেবদূত দেয়ালে জলের দাগ দোষ নেই অনাক্রমণে দ্বিধাহীন ধর্ম ধর্মদাস ধর্মের সোপানগুলি কাঁদে ধীরে ধীরে ধ্বনি নতুন হাটে নদী নদীকূলে নরবলি নষ্ট মানুষ নাম জীবন নাম স্মৃতি নিঃশব্দচরণে প্রেম নিচে নামছে নিজস্ব অন্তরে নিজস্ব কাঁথাটি যেন রঙিন দর্পণ নিবিড় ভালোবাসার দিনগুলো নিমন্ত্রণ নিয়তি নীল চুড়িঅলা অনেক চুড়ি নীল ভালোবাসায় নীলপদ্ম লালপদ্ম নূতন করে কি বাঁচা সম্ভব হবে। নেমে আসে অন্ধকারে পঁয়ত্রিশ বছর পর, ঘুরে আসে পথ ছেড়ে দিতে হবে পথে যেতে কষ্ট হয় পথের মানুষ পরমেশ্বর তুমি পরস্ত্রী পরোক্ষে পাখি পাগল ঘণ্টা পাতার অসুখে পাতার শোকে পাতাল থেকে ডাকছি পাথর গড়িয়ে পড়ে, গাছ পড়ে বোধে পাবো প্রেম কান পেতে রেখে পার্শ্ব চরিত্র পিছনে চলেছে, থাকে দূর পিছনে যাবার রাস্তা নেই পিঠের কাছে ছিলো পুকুরে গাছের ছায়া পুরনো নতুন দুঃখ পৃথিবীরই ব্যাপকতা পেতে চাই পোকায় কাটা কাগজপত্র পোড়া মাটি পোড়াতে চাই প্রকৃতির আলো-আঁধারে প্রকৃতির কাছে ফেরো প্রতিকৃতি প্রতিধ্বনি, তাও দরজা ভাঙে প্রতিমূর্তি প্রত্যাবর্তিত প্রভু, নষ্ট হয়ে যাই প্রাণপণ কবিতাগুচছ: ১ প্রিয় রামকিঙ্করদাদাকে প্রেম প্রেম দিতে থাকো প্রেমশূন্য প্রেমের আশ্রয় এবং শিল্পবোব প্রেমের মড়া পড়ন্ত বিকেলে ফিরিয়ে দিয়েছি ফিরে আসে ফিরে এসো মালবিকা ফিরে গেলে সুসময় ফিরে যাওয়া উৎসে ফুল কতো অন্তরঙ্গ ফুলঝুরি, তোমার নাম ফেরা ফেরা, পিছুটান আর পিতৃদুঃখ ফেরিওয়ালা আর সোনার কদলী বড়ো মানুষ কেবল তাকে। বদলে গেছি বনের মধ্যে মনের মধ্যে বলা যায়? বলো, ভালোবাসো বলো না অন্তত বস্তুর গ্রন্থনা থেকে এইভাবে বহুদিন বেদনায় বহুদিন অন্ধকারে বাঁচাতে পারবো না বাইরে যাঁরা দাঁড়িয়ে আছেন বাকি বাগান কি তার প্রতিটি গাছ চেনে? বাগানে কি ধরেছিলে হাত বাগানে তার ফুল ফুটেছে বাগানের কেউ নয় নষ্ট ফল বাড়িবদল বার্ধক্যের কাছাকাছি এই বাড়ি বালককালের ও দোলমঞ্চ বালুকায় ভেঙে পড়ে সমুদ্রের... বাসনা আছিলো কিছু, তিলে তিলে শুখায়েছে বাহির থেকে বাড়িতে উঠো না বাড়ির কাছে বাড়ি বিবাদ বিমানবন্দরে বিদ্যয় বিরহ বিরহে যদি দাঁড়িয়ে ওঠো বিষ-পিঁপড়ে বিষন্নতা চায় না বিষের মধ্যে সমস্ত শোক বিসর্জনের বাজনা বাঁশি কাঁসর বীরেনদার জন্যে বুকের কাছে বৃষ্টি চাই বৃষ্টিতে বৃষ্টির বাগানে বেড়িয়ে ফিরলুম বোধহয় ব্রিজ- যমুনার জল রীডিং হার্ট ব্লেকের তর্জমা শেষ বয়ঃসন্ধি ভন্ম অবশেষ ভাত নেই, পাথর রয়েছে ভালোবাসার পদ্য ভালো লাগে ভালো, এই ভালো ভালোবাসা আমি চাই ভালোবাসা তার একমুঠি শস্যের ভালোবাসা সব জানে ভালোবাসায় ভুল ভালোবাসার আপন সুদিন ভালোবাসার শিকড় ভাষার বাঁধনে ভিতর-বাইরে বিষম যুদ্ধ ভিতরে আমার ভুল থেকে গেছে ভুলভাবে সাজিয়েছে ভুলে আছ্যে ভুলে যাই ভূতপ্রেত ছিল্যে কিংবা নারী ভেবে দেখবে যাবে কি না যাবে ভেবেছিলাম ভ্রম ভ্রান্তি ভয় আমার পিছু নিয়েছে মজা হোক মধ্যাহ্নের দোয়ে মনে কি তোমার মনে পড়ে মাছি হয়ে ঘুরেছি তোমার মনে পড়লো মনে মনে বহুদূর চলে গেছি মনে রেখো, ভালোবাসা বাঁচায় ও মারে মনে রেখো মনে হয়, কিছুই দেবে না মনে বনে জানি না কিছুই মন্দিরে কে জেগে আছে মন্দিরে, ঐ নীল চূড়া মানিনী বর্তমান মানুষ আমিও নই মানুষ কীভাবে মরে মানুষ তুমি একটি জীবন মানুষ দেখে ভয় পেয়েছে মানুষ বাগান মানুষ বিষয়ে মানুষ বড় সন্তা মানুষ ভিখারী হতে ভালোবাসে মানুষ যেভাবে কাঁদে মানুষ সিন্ধুর মনে মানুষটি মৃত মানুষেও পারে মানুষের অক্ষমতা নিয়ে মানুষের কাছে যেতে মানুষের চেয়ে থাকা মানুষের মধ্যে মানুষেরা মান্য মিছে কাঁপে রহস্য জলের মিনতি মুখচ্ছবি মিষ্টিগুড়ের ইস্টিশানে মুকুর মুখখানি মুহূর্তে শতাব্দী মৃত্যু একা থাক মৃত্যু পরে হবে মৃত্যুর অমূল চাপ মৃত্যুতেই আছে মৃত্যুর পরেও যেন হেঁটে যেতে পারি মৃত্যুর বিষয়ে মৃত্যুর ভিতরে আছে মৃত্যুর মহান জাতিঘর মৃত্যু মেঘ ডেকেছে মেঘ তুমি মেঘরূপ শুয়েছে পাঘরে মেনে নিতেই হয় যখন একাকী আমি একা যখন বৃষ্টি নামলো যখন যেখানে থাকি যদি থাকি যদি পারো দুঃখ দাও যদি সে-ঠিকানা পাই যাকে চেয়েছিলাম যাবার সময় যাবার সময় হলো যাবো, যেতে হলে ঠিকই ধাবো যে যায় সে দীর্ঘ যায় যে-কিশোর হৃদয়ে বসেছে যে-পথে যাবার যেখানে দাঁড়াই ভুল যেতে পারি, কিন্তু কেন যাবো? যেতেই হবে চলে যেভাবে যায়, সঞ্চলে যায় যৌবন থেকে বামে রক্তের দাগ রাখো তোমার উদ্যত পা রাগের কথা রাজা-প্রজা রাতের নির্জনে রাত্রি শেষ আসে পরদিন রামকৃষ্ণের জন্যে রাহু লোকটা বিপন্ন শবযাত্রী সন্দিগ্ধ শব্দের ঝর্ণায় স্নান শব্দের ভিতরে ছিলে শরণার্থী বাংলাভাষা, পুনর্জন্মে শাক্য শাদা ও সমাধি শাদা পাতা শান্তিনিকেতনে দোল শিশিরভেজা শুকনো খর শীত আসছে শুদ্ধসীমার জন্যে শুধু এই শুধু বনভূমি শুনেছিলাম, সঙ্গে আছেন শুরু ও শেষের খেলা একই সঙ্গে শূন্যতাই সব শেষদিনে শৈশবস্মৃতি শোনো, এই পাথর পুড়েছে শ্রেয়সী সংকীর্ণতা সকলের চেয়ে বেশি আহংকার নিয়ে সদর স্ট্রিট সন্তান বাঘিনী রক্ষা করে সন্ধে হয় না সন্ধ্যায় দিলো না পাখি সন্ধ্যে হয়ে এল সবার কাছে সবুজের মবো আছে। সভ্যতা আমারো মধ্যে আছে সমস্ত নক্ষত্র আজ নক্ষত্রের সমার্থক সমুদ্রতীরে সমুদ্রের উপকূলে তীরে সমুদ্রের মাঝে আমি সম্পর্ক সময় হয়েছে সরোজিনী বুঝেছিলো সহজ সাজাবে আমাকে সাতান্ন বছর পরে সামনে মানুষ সাময়িকতা সাম্প্রতিকী ১৯৬৬ সারা রাতের মধ্যে আমার সারাদিন পথে সুখে থাকো সুড়ঙ্গ কোথায় যাবে? সুদেষ্ণা নেই সুন্দর যেখানে সুন্দরের বিকল্প সূর্যমুখী সে সে আছে নিশ্চিন্ত সে কবে বৈশাখ পাবে সে বড়ো সুখের সময় নয় সেই ফেলে আসা রুমাল সেই হাত সোনালি কাজের ফল সোনালি দুঃখ স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি স্থায়ী স্বপ্ন আমার উল্টোপাল্টা স্বপ্ন খেলা করে স্বপ্ন, তোমাদের প্রতি আর স্মৃতির ভিতর হলুদ অসুখে হলুদবাড়ি হাত বাড়ালে ধরতে পারি হারাতে হারাতে চলি, খুঁজে পাই হারাতে হারাতে তাকে হে দেবদারুর বিস্তার হে প্রবাহিণী হেমন্ত যেখানে থাকে হেমন্তের অরণ্যে আমি পোস্টম্যান
হোম খুঁজুন
নোটিশ প্রোফাইল